মসজিদ-মাদ্রাসার মাঠ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগ

লোহাগাড়া প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলাধীন চরম্বা ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী উমর আলী মহাজন মসজিদ ও তার সংলগ্ন আল হেরা হেফজখানা ও শরিফিয়া এতিম খানার মাঠ ব্যাক্তি গত কাজে ব্যাবহারের অভিযোগ উঠেছে।

মসজিদ কমিটির অভিযোগ মাদ্রসা কর্তৃপক্ষ মসিজেদের সৌন্দর্য নষ্ট করে মসজিদোর সিড়ি ঘেষে মাঠের পূর্ব কোনে রান্নাঘর ও লাকড়ি রাখার ঘর তৈরি করেছে।যেটার কারনে মসজিদের সৌন্দর্য্য অনেকাংশে কমেগেছে বলে মসজিদে নাৃাহ্জ আদায় করতে আসা সাধারন মানুষ অভিযোগ প্রদান করেন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে মাঠ টা স্হানীয় সমাজ কমিঠি জানাজার মাঠ,,,,ও যে মাঠে বছরে বিশাল আকারে দুইটা সীরতুনবী অনুষ্টান হয়,যে মাঠ প্রতি শুক্রুবার দূর-দুরান্ত থেকে আসা মুসল্লিদের গাড়ি রাখার কাজে ব্যাবহৃত হয় তার কিছু অংশ দখল করে রান্নাঘর ও লাকড়ি রাখা ঘর তৈরি লরা হয়েছে।তার উপর আরো বেশ কিছু জায়গা দখল করে রাখা হয়েছে গরুর খাদ্য শুকন খড় যার স্হানীয় নাম খুইজ্জা।
এই দখল অভিযোগ যাদের নামে তারা হলে মাদ্রাসা সুপার জনাব মৌলানা ওসমা নগনী,হফেজ মোঃ জনু পিঃ মৃত আমিন শরিফ এবং মরহুম নুরুল কবিরের ঢাকা বিশ্ব্যবিদ্যালয় পড়ুয়া পুত্র জনাব রাশেদুল ইসলামের উপর।

অভিযোগের বিশয়ে রাশেদুল ইসালামের সাথে যোগা-যোগ করলে তিনি প্রতিবেদক কে বলেন,ওসমান হুজুর জনু ভাইয়ের পিতা এবং আমার পিতা সহ তাদের অন্য ভাইয়ের সম্পত্তি তাদের পিতা মাদ্রসা ও মসজিদের নামে দান করে যায়,আমরা সেটা জানি,তবে আমারা বাবার ভাগের ৫ গন্ড়া জায়গা এখনো কোথাও দান করা হয়নি,,, কই আমি তো আমার জায়গা খুজতেছি না,,, হ্যা আমি মাঠের পাশে শুকনা খড়ের একটা স্তুুপ করেছি তবে তা তো অস্হায়ী।খড় গুলো বিক্র করার জন্য ঐ খানে রাখা হয়েছে,,,,সেটা আজকেও বিক্রি হয়ে যেতপরে বা কালও হতে পারে। আর আমি যে জয়গায়টা দখল করেছি তা একদিন রাখি বা এক সপ্তাহ রাখি তার জন্যতো আমি মাদ্রসা পরিচালনা কমিঠির হাতে খড় বিক্রয়ের অর্ধেক টাকা তুলে দিয়,,,,,,এই দখল তো অস্হায়ী, এটা নিয়ে অভিযোগের কি আছে,,,,তবে এসময় তিনি রান্নাঘর ও লাকড়ির ঘর মাদ্রাসার জায়গায় হয়েছে বলে জোর দাবি করেন।

এই বিষয়ে স্হানীয় মুসল্লিদের মথামত জানতে চাইলে,লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জনাব সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন ইসলাম শান্তির ধর্ম,,আর মসজিদ তো আল্লাহর ঘর,এই ঘরে আসলে শরিরে মনে আনন্দে ও শান্তিতে ভরে উঠবে এটাই আল্লার ঘর,,,কন্তুু আমার চাচত ভাইরে কেনই মসজিদের সৌন্দর্য্য নষ্ট করছে তা আমি বুঝতে ছি না,,,,,, আমি একজন সাধারন মুসল্লি হিসাবে চাই মসজিদের সৌন্দর্য্য ও পবিত্রিতা দুইটাই রক্ষা হউক,,,স্হায়ী হউক বা অস্হায়ী দখল তো দখলই যা স্হাপনার সৌন্দর্য্য নষ্ট করে,,,,আমি আমার ভাই দের প্রতি অনুরুধ করব এই সব পরিহার করে সমাজ সেবামুলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করার জন্য।
মসজিদ কমিঠির সাধারন সম্পাদক পদুয়ার সুনাম ধন্য ব্যবসায়ি মোঃ শাহজান বলেন,,এই উমর আলী মহাজন মসজিদের সুনাম দেশে গন্ডি পেরিয়ে শুধু ইনডিয়া,পাকিস্তান পর্যন্ত পৌছে গেছে,,,,যার কারনে এখানে প্রতি জুমার বারে জুমার নামাজ আদায় করার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় তিন হাজারের অধিক মুসল্লির সমাগম হয়,,আর তাদের গাড়ি পার্কিং করাহত মঠে কিন্তু ব্যাক্তিগত কাজে মাঠটি দখল করায়,গত জুমাবার মুসল্লিরা মটর সাইকেল পার্কিং করে রাস্তায় যার ফলে শহরের জানযট এক লাফে গ্রামে চলে আসে,,,,অনেকে পার্কিং করতে না পেরে রাগে নামাজ আদায় না করেই চলেযেতে বাধ্য হয়েছে।,তাই আমি সাধারন মুসল্লি হয়ে তাদের প্রতি অনুরুধ করব দখল মুক্ত সুন্দর এই মসজিদের সুনাম সারা বিশ্ববাসীর নিকটা ছড়িয়ে দিয়।
এই বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান মাষ্টার শফিকুর রহমানের সাথে মুুুঠোফোনে যোগাযোগ করলে এই গুলো অনেক পুরানো ঝামেলা আমি এই বিষয়ে কিছুই জানি না বলে ফোন কেটে দেন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.