সাতকানিয়া- পিডিবির নিষিদ্ধ কাজে কর্মচারীকে পাঠিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিলেন আবাসিক প্রকৌশলী
যে কাজে গিয়ে আহত হন কর্মচারী, ওটা রুলস বহির্ভূত-
সৈয়দ আককাস উদদীন
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার পৌরসভার আশেকের পাড়ায় ১১হাজার ভোল্টেজ লাইনের পাইপ লাগাতে গিয়ে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে গুরুতর আহত হন সাতকানিয়া পিডিবি অফিসের কর্মচারী (বদিআলম)মো: পারভেজ।
আজ ২৬শে অক্টোবর(সোমবার) সাতকানিয়া পৌরসভার আশেকের পাড়ায় নিষিদ্ধ লাইনের পাইপ লাগাতে গেলে এই ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, সাতকানিয়া পিডিবি অফিসের সাহায্যকারী হিসেবে কর্মরত হোসেনে মোবারক বাশার সাতকানিয়া পৌরসভার আশেকের পাড়ায় একটি ১১হাজার লাইনের পাইপ লাগানোর কাজ ৫০হাজার টাকার বিনিময়ে কন্ট্রাক্ট নেন।
এবং এটি সাতকানিয়া পিডিবির আবাসিক প্রকৌশলী শোভন ভৌমিকের সাথে গোপনচুক্তি করে বদিআলম (পারভেজ)কে দিয়ে লাইনের পাইপ বসাতে নিয়ে যায় সেখানেই এই দূর্ঘটনা ঘটে।
এদিকে পিডিবির রুলস অনুসারে পিডিবি ১১হাজার লাইনের পাইপ বসাতে পারেননা,সেটা পিডিবির রুলস অনুসারে সরাসরি নিষিদ্ধ। অর্থাৎ পিডিবি ১১হাজার ভোল্টেজ লাইনের পাইপ বসানোর ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেননা।
প্রশ্ন হচ্ছে পিডিবির নিষিদ্ধ রুলসকে টাকার বিনিময়ে সাহায্যকারী হোসনে মোবারক বাশারের সাথে আবাসিক প্রকৌশলী শোভন ভৌমিক চুক্তি করেই কর্মচারী(বদিআলম) পারভেজের ইচ্ছের বাইরে অবৈধ কাজটি সম্পাদন করতে পাঠিয়ে তার জীবনটাকে শংকার মুখে ফেলেছেন সাহায্যকারী বাশার ও সাতকানিয়া পিডিবির আবাসিক প্রকৌশলী সৌমেন ভৌমিক।
অবৈধ ১১হাজার ভোল্টেজের লাইনের পাইপ বসাতে গিয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন স্বল্প বেতনের এই কর্মচারী মো: পারভেজ।
এদিকে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত এবং পিডিবির রুলসে নিষিদ্ধ ১১হাজার ভোল্টেজের লাইনে পাইপ বসানোতে কার অনুমতি ছিলো! সেটা জানার জন্য সাতকানিয়া পিডিবির আবাসিক প্রকৌশলী সৌমেন ভৌমিককে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি পরে হোয়াটসঅ্যাপ এ টেক্সট দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে অবৈধ লাইনের কন্ট্রাক নেওয়া হোসনে মোবারক বাশারকে কল করা হলে তিনি বর্তমানে আহত (বদিআলম) পারভেজকে নিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছেন বলে জানান।
এবং সে নিষিদ্ধ কাজটির কন্ট্রাক নেয়ার সুযোগ নেই বলেও জানান। সব অফিসের এখতিয়ারে হয়েছে বলে সে সাফ জানিয়ে দিন।এবং অফিস মানে তিন (আরই) শোভন ভৌমিকের সাথে কথা বলার জন্যও বলেন।
অপরদিকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় চীফ ইন্জিনিয়ার মো: কামাল উদদীন আহমেদকে কল করা হলে তিনি প্রথমে ফোন রিসিভ করেননি, পরে প্রতিবেদকের পরিচয় দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ এ বিস্তারিত লিখে দিলে তিনি ফোন ব্যাক করেন ও বিষয়টি দেখছেন।