পূজামণ্ডপে ডিজে পার্টি ও আতশবাজি নয় : সিএমপি কমিশনার

হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। পূজাকে কেন্দ্র করে উৎসবের আমেজ পুরো দেশে।

ব্যতিক্রম নয় চট্টগ্রাম মহানগর। নগরের ২৭৭টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। আর এসব মণ্ডপের নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি আনসার সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর।

বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর ) দুপুরে সিএমপি কমিশনার অফিসের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকের এ কথা বলেন তিনি।

সিএমপি কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর বলেন, পূজার শুরু থেকে প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাসহ সব ধরনের বিষয় মাথায় রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পূজামণ্ডপে কোনো ধরনের ডিজে পার্টি হবে না। কোন ধরনের আতশবাজি না ফুটানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা যেকোনো মাধ্যমে গুজবে কান না দিয়ে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ জানাই। পূজার আমেজকে সম্প্রীতি ও আনন্দ উৎসবে পরিণত করতে হবে। কোনো অপরাধকে সুযোগ দেব না। দুই একটি বিশেষায়িত পূজামণ্ডপ ছাড়া নির্দিষ্ট ফোর্স রাখা হবে না। মোবাইল টহল টিমের সংখ্যা বাড়াচ্ছি। সব পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, সব পূজামণ্ডপে ঢোকার সময় করোনার প্রেক্ষাপটে স্যানিটাইজার, মাস্ক থাকবে। কোনোভাবেই মাস্ক পরা ও স্যানিটাইজার ছাড়া পূজামণ্ডপে কেউ যাতে ঢুকতে না পারেন বিষয়টি পূজা উদযাপন পরিষদ নিশ্চিত করবে। দর্শনার্থীরা মণ্ডপে জটলা না করে পূজামণ্ডপে ঢুকবেন আশা করি। প্রতিমা বিসর্জন সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করতে হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুচারুরূপে পালন করতে সব গোয়েন্দা সংস্থা ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে পর্যবেক্ষণ করা হবে। পূজার নিরাপত্তার জন্য একাধিক মণ্ডপে ক্লোজ-সার্কিট ক্যামেরা বসানো হবে। র‌্যাব-পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে সাদা পোশাকের পুলিশও।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.