প্রকৃতিতে বইছে চৈত্রের হাওয়া। তাই স্বভাবতই দিনে দিনে বাড়ছে তাপমাত্রা। কখনো কখনো তাপমাত্রা তার আগের দিনকেও ছাড়িয়ে যায় । তবে প্রকৃতিতে চৈত্রের এই রুদ্র দাপট থাকবে গুণেগুণে মাত্র দশদিন।
আপাতত রমজানের প্রথম দশদিন দিনের তাপমাত্রা চৌচির করে তুলতে পারে চট্টগ্রামের আকাশকে। দিন আর রাতের দামাল বাতাসের ছন্নছাড়া প্রতাপে চৈত্র অস্থির করে তুলতে পারে নগরবাসীর যাপিত জীবন। তবে এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে মাঝে মাঝেই ঝরতে পারে অঝোর ধারায় বৃষ্টি। কোথাও কোথাও হতে পারে কালবৈশাখী ঝড়ও।
এদিকে চট্টগ্রামের তাপমাত্রা আজ কিছুটা বেড়েছে। রোববার (৩ এপ্রিল) চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা থাকতে পারে। সেইসঙ্গে কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। কিন্তু দক্ষিণ, দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে যা অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার আকারে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হতে পারে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ ও আবহাওয়া পূর্বাভাস কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ চৌধুরী সিভয়েসকে বলেন, ‘এখন প্রি মুনসুন সিজন চলছে। স্বাভাবিকভাবেই গরমটা একটু বেশি। এমন অবস্থা আরও এক সপ্তাহের মতন বিরাজ করবে। এরপরের সপ্তাহ থেকে একটু একটু বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সম্ভাবনা আছে। মাসজুড়ে চট্টগ্রামের আবহাওয়া মূলত এমনই থাকবে। বৈশাখে এমনিতেই কাল বৈশাখীর দাপট থাকে। তবে চৈত্রের দাবদাহ কাটিয়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে।’