সৈয়দ আককাস উদদীন
সাতকানিয়ার ইতিহাসে এই প্রথম কোন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি একই দিনে একই সাথে শপথের পরপরই অফিসে বসার আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নিহত এবং বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যু সেই ত্যাগী নেতাদের কবরে গেলেন।
বলা হচ্ছিল সাতকানিয়া উপজেলার ৬নং এওচিয়া ইউনিয়নের নবনির্বাচিত আওয়ামী লীগের ইউপি চেয়ারম্যান আবু ছালেহের কথা।
শুক্রবার ৪ঠা নভেম্বর সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বিএনপি জামায়াত শিবিরের হাতে নিহত এবং মৃত্যুরত অন্তত ১৪জনের কবরে আবু ছালেহ’র নেতৃত্বে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এই সময় চেয়ারম্যান আবু ছালেহের সাথে অন্তত শতাধিক এওচিয়ার নেতাকর্মীর একটি বহরও দেখা যায়।
এই বিষয়ে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবু ছালেহ গনমাধ্যমকে জানান-আমি জন্ম থেকেই আওয়ামী পরিবারের সন্তান যেটা পুরো সাতকানিয়া তথা গোটা বাংলাদেশ জানে।
যে দলের সাথে রাজপথে স্লোগান দিতে গিয়ে- আওয়ামী পতাকা উজ্জীবিত করতে গিয়ে আমার পরিবার থেকেই ঝঁরেছে শুধু তিন তিনটি তাজা প্রাণ।
সেই দলের পবিত্র প্রতীকে আজকে আমি এওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-আর সেই দল সাতকানিয়া উপজেলায় যাদের রক্তের উপর টিকে আছে তাদের স্মরন করা আমার নৈতিক দায়িত্ব বটে।

সেই দায়িত্ব থেকেই আমি ছুটে গিয়েছি-সাবেক গণপরিষদ সদস্য এম আবু ছালেহ সাবেক সংসদ সদস্য এম সিদ্দিক, সাবেক ব্যাংকারও বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা -জাফর আহদের চৌধুরী
সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি এম আমিনুল ইসলাম বাদশা
সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা শহীদ গোলাম হোসেন,বীর মুক্তিযোদ্ধাও এওচিয়ার সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ নুরুল কবির,
বীর মুক্তিযোদ্ধাও কাঞ্চনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতিব ইউসুফ কাদেরী
আমিলাইশ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি নজির আহমেদ,সাবেক ছাত্রনেতা শহীদ নুরুল কবির,এওচিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগনেতা শহীদ মফিজুর রহমান
কাঞ্চনা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা হাফেজ আহমেদসহ এই জনপদের অসংখ্য মূল্যবান রত্নদের কবরে।

আমার ইচ্ছাও স্বপ্ন ছিলো যে যারা আমাদের মত প্রজন্মের কথা চিন্তা করে আগামীর রাজনীতিকে সহজও স্বাধীনতা বিরোধীচক্রকে প্রতিহত করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন, এবং আজীবন সংগ্রাম করতে করতে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেছেন তাদেরকে শ্রদ্ধা জানানো-মহান আল্লাহ আজকে আমার আশা পূরণ করেছেন।

আল্লাহ যদি আমাকে বাঁচিয়ে রাখে আমি তাদের পরিবারের পাশেও দাঁড়াব ইনশাআল্লাহ।