সাতকানিয়ায় জমিজমার পূর্বশত্রুতার জের ধরে ইটপাটকেল মেরে ও পিটিয়ে এক বৃদ্ধাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। সোমবার (২৩ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে উপজেলার উত্তর ঢেমশার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাইজপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার বৃদ্ধার ওই এলাকার আব্দুল করিমের স্ত্রী এবং স্থানীয় আবছার উদদীনের মা
জানা গেছে, সাতকানিয়ার উত্তর ঢেমশার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাইজপাড়ার এলাকার মেইনরোডে চলাচলের রাস্তায় স্থানীয় আব্দুল আলমের সাথে হামলার শিকার স্বামী ও সন্তানদের সাথে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। ওই দ্বন্দ্বের জেরে উভয়পক্ষে অন্তত একাধিক দেওয়ানী ফৌজদারী মামলা চলমানও রয়েছে। কিন্তু আব্দুল আলমের ৩ তলা বাড়িটি মাইজপাড়া কেরানীহাট রোডের চলাচলের পাশে হওয়ার সুবাদে বয়স্ক মহিলা ও মহিলার স্বামী সন্তানরা রাস্তায় চলাচলের সময় তিনতলা বাড়ি থেকে চলাচলের রাস্তায় ইটপাটকেল মেরে আহত করার অভিযোগ ওঠেছে বেশকয়েকবার।
এক পর্যায়ে আলম এবং আলমের সন্তানেরা আবছারদের ইট মারতে গিয়ে ভবনের নিচে রাস্তায় অন্যপথচারীদের আহত করার মত ঘটনা ঘটেছে বলে একই এলাকার একাধিক প্রতিবেশি অভিযোগ করেছেন।
সর্বশেষ গেল ২৩শে জানুয়ারি হামলার শিকার বৃদ্ধা ও তার ছেলের বাসায় রাতের খাবার শেষে নিজ বাসায় আসার পথে আলমদের বাড়ির সামনে চলাচলের রাস্তায় পৌছাঁমাত্রই পূর্বের মত আব্দুল আলমের ছেলে আবু সৈয়দ ও কালিয়াইশের রসুলাবাদ এলাকার ছেলে জাফর ইকবাল এবং মৃত লালমিয়ার ছেলে আলম (৫০) এবং উত্তর ঢেমশার বারি সিকদার পাড়ার জাকির হোসেনের ছেলে মো. এহসান (২৫)ও মাইজপাড়ার মৃত ছিদ্দি আহমের ছেলে আবুল বশরসহ আরো কয়েকজন আবছারের বয়স্ক মাকে উপর থেকে ইটপাটকেল মেরে আহত করে পরে মাটিতে আবছারের মা লুটিয়ে পড়লে লাঠিদ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করা হয়।
স্থানীয়দের সহযোগিতায় বয়স্ক মহিলাকে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে মহিলার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ার কর্তৃপক্ষ চমেক এ রেফার করেন।
এদিকে আহত মহিলার ছেলে আবছার উদদীন বলেন, আলমরা পূর্বপরিকল্পিত ভাবে আমার মাকে হত্যা করতে চেয়েছিল কিন্তু আল্লার রহমতে আমার মা বেঁচে যায়,আমি আলমদের বিরুদ্ধে সাতকানিয়া থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেছি। সাতকানিয়া থানা পুলিশ মামলা নেয়ার বিষয়টি সত্য স্বীকার করে এজাহারনামীয় আসামীদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে বলে নিশ্চিত করেন।