ঘূর্ণিঝড় মোখার সতর্কতায় উপকূলীয় এলাকাবাসীর পাশে দাড়িয়েছেন মহানগর আওয়ামী যুবলীগ নেতা মনোয়ার-উল আলম চৌধুরী নোবেল।
শনিবার (১৩ মে) সন্ধ্যা থেকে রাত অবধি নগরীর বেড়িবাঁধ সংলগ্ন জেলা পাড়া, কাট্টলী পশ্চিম পাড়া, জাকের আলী সড়ক সংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকার অধিবাসীদেরকে ঘূর্ণিঝড় মোখা’র সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে মাইকে অবহিত করেন এবং তাদেরকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার আহবান জানান। এবং উপকূলীয় এলাকাবাসীদের আপদকালীন সময়ের জন্য শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ঔষধপত্র বিতরণ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা সৈয়দ, সাইফুদ্দীন সাইফুল, মহানগর যুবলীগের সাবেক সদস্য সাইফুর রহমান রাজু, ১০নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক আবু তৈয়ব, মহানগর যুবলীগ নেতা আরিফ মুহাম্মদ হারুনী, পাহাড়তলী থানা যুবলীগ নেতা এনামুল হক আজিম, আকবরশাহ্ থানা সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা তারেক সিদ্দিকী,আজাদ ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা মো. মামুন, ১০নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা মামুন, তৌহিদ, সাথী আকবরশাহ্ থানা যুবলীগ নেতা গোলাম রাব্বানী রাফি, মহানগর ছাত্রলীগের নাট্য বিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল বিন নিজাম, ডবলমুরিং থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ তৌহিদুল ইসলাম আরদীন, পাহাড়তলী থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক-সম্পাদক সিফাত হাবীব রবি সহ প্রমুখ।
নোবেল বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোখা আরও ঘনীভূত হয়ে বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে আসছে। যেকোন সময় বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় মোখা। তাই জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে উপকূলীয় এলাকার বিশেষ করে সাগরপাড়ে অবস্থিত জেলে পাড়ার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার আহবান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন ১৯৯১ এর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের সময়ও এলাকাবাসী অবহেলা করে নিজ নিজ বাসায় অবস্থান করেছেন। ফলত অনেক প্রাণ হারাতে হয়েছে অনেক নারী, পুরুষ এবং শিশুদের। তাই জীবন বাঁচাতে অবশ্যই প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটে যাওয়ার কোন বিকল্প নেই বলে মনে করেন তিনি। পাশাপাশি ঘরের আসবাবপত্র শক্ত দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখারও আহবান জানান নোবেল। গৃহপালিত গবাদি পশুদেরকেও নিরাপদ আশ্রয়ে রাখার অনুরোধ জানান তিনি। এছাড়া মোবাইল এবং জরুরি ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিও চার্জ দিয়ে রাখার আহবান জানান। তাছাড়া যেকোন বিপদ মোকাবেলায় জরুরি নাম্বারে যোগাযোগ করার আহবান জানান নোবেল।