চট্টগ্রামে লালন শাহকে নিয়ে এতবড় অনুষ্ঠান এর আগে হয় নি : এটিএম পেয়ারুল

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম বলেছেন, ফকির লালন শাহ কোনো ধর্মের ছিলেন না। প্রতিটি ধর্মের মর্মবাণী ওনার বাণীর মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ফকির লালন শাহকে নিয়ে এতগুলো শিল্পীর অংশগ্রহণে এতবড় অনুষ্ঠান এর আগে হয়নি।

তিনি বলেন, ‘প্রাকৃতিক আবহাওয়া ভালো থাকলে এ অনুষ্ঠানে হাজার হাজার দর্শক হত। চট্টগ্রাম অঞ্চলে লালন সংগীতের এত বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা চট্টগ্রামবাসীর জন্য গর্ব।

নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে গতকাল রবিবার (১৪ মে) বিকেলে কুষ্টিয়াসহ সারাদেশের লালন শিল্পীদের অংশগ্রহণে ‘লালন স্মরণোৎসব ২৩’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

লালন পরিষদ চট্টগ্রাম বিভাগের সাধারণ সম্পাদক লূপর্ণা মুৎসুর্দ্দী লোপার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় স্মরণোৎসবে উদ্ভোধক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. ইফতেখারুল ইসলাম, প্রধান আলোচক বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জিএম নূর আনোয়ার হোসেন, বিশেষ অতিথি কুষ্টিয়া লালন একাডেমির প্রিন্সিপাল ওস্তাদ আক্কাস আলী সাইজী, কুষ্টিয়া লালন একাডেমির সাধারণ সম্পাদক সেলিমু হক, স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রচার সম্পাদক নজরুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন লালন পরিষদ চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি ছৈয়দ হোসেন শাহ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারের উপস্থাপিকা দিলরুবা খানম।

উৎসবে গান পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী লুপর্ণা মুৎসুর্দ্দী লোপা, রাখি শবনাম, আশালতা, চাঁদনী, শহিদুল বাউল, ক্ষেপা প্রিন্স, রফিক বাউল, জুয়েল, সুকুমার দেসহ বিভিন্ন জেলা এবং দেশ বিদেশের নামকরা শিল্পীরা।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.