অনলাইন ডেস্ক
তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ঢাকার কাকরাইল মোড়ে বিশাল ব্যানার টাঙানো হয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে ‘লিডার আসছে’। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন
দেশের ক্ষমতায় তখন ‘ওয়ান ইলেভেনের’ সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সামনে একটি নির্বাচন, জনমনে গণতন্ত্রে ফেরার আকাঙ্ক্ষা। তেমনই এক পরিস্থিতিতে কারামুক্ত হয়ে দেশ ছাড়েন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান।
১৭ বছর পর তিনি যখন দেশে ফিরছেন, তখনো দেশের ক্ষমতায় একটি অনির্বাচিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার; ভোট দেওয়ার, গণতন্ত্রে ফেরার আশা নিয়ে নির্বাচনের অপেক্ষায় বাংলাদেশের মানুষ।
২০০৮ সালে তারেক যখন পরিবার নিয়ে লন্ডনে চলে গেলেন, শোনা গিয়েছিল তিনি ‘আর রাজনীতি না করার মুচলেকা’ দিয়েছেন। গত ১৭ বছরে রাজনীতি তিনি ঠিকই করেছেন, তবে সেটা লন্ডনে বসে। বৃহস্পতিবার দুপুরে যখন তিনি ঢাকার মাটিতে পা রাখবেন, এই বাংলাদেশ অনেকটাই বদলে গেছে।
আওয়ামী লীগের টানা ১৫ বছরের শাসনামলে রাজনীতি, অর্থনীতি আর অবকাঠামোতে বড় পরিবর্তন এসেছে। আরো বড় পরিবর্তন এনে দিয়েছে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান, যা আওয়ামী লীগের সরকারকে উৎখাত করেছে, তারেকের দল বিএনপির সামনে খুলে দিয়েছে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার।
তারেকের ফেরা না ফেরা নিয়ে ছিল নানা জল্পনা-কল্পনা। ছিল চায়ের টেবিলে আলোচনা, টেলিভিশনের টক শোতে বিতর্ক। বাংলাদেশ সময় বুধবার মধ্যরাতে তিনি লন্ডন থেকে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা পর সব জল্পনার অবসান ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার দু্পুরে তারেকের ফ্লাইট ঢাকায় নামবে। তার সঙ্গে দেশে ফিরবেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান। আর থাকবে জাইমার পোষা বিড়াল ‘জেবু’।