চট্টগ্রাম সংবাদের খবর প্রকাশের পর বদলী, বাঁশখালীর সেই দূর্নীতিবাজ চিকিৎসক
বাঁশখালী থেকে কর্ণফুলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলী
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ভুয়া স্বাক্ষর কান্ডে জড়িত দীর্ঘদিন দিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ডাক্তারের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ও বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার অফিস থেকে দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
উক্ত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রদানের পূর্বেই বাঁশখালীর সেই বিতর্কিত চিকিৎসক জান্নাতুল ফেরদৌস শশীকে কর্ণফুলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলী করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডাঃ জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সুষ্ঠু ভাবে তদন্ত করার লক্ষ্যে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি ও
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ নাজমা আক্তার স্বাক্ষরিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রদান করার পূর্বেই গত ১২ মে ২৬ ইং চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডাঃ সেখ ফজলে রাব্বি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে থাকে কর্ণফুলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী মেডিকেল অফিসার পদে বদলী করা হয়েছে। তার এই বদলীকে স্থানীয় এলাকাবাসী শাস্তির বদলে পুরস্কৃত করা হয়েছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। এই বদলীকে কেন্দ্র করে পুরো বাঁশখালী জুড়ে আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্যঃ- অভিযুক্ত চিকিৎসক বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে সাবেক এমপিকে দিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে দায়িত্ব পালন না করে ও বহাল তবিয়তে ছিলেন। গত ৫ই আগষ্ট পরবর্তী সময়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিভিন্ন সময়ে শোকজ করলে ও তিনি এসব পাত্তায় দিতেন না। গত কয়েক দিন যাবৎ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় “পুইছুড়ি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডাক্তারের বদলে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন নাইট গার্ড” হাজিরা খাতায় প্রতি সপ্তাহে তার উপস্থিতর স্বাক্ষর থাকলে ও, অনেক স্বাক্ষর বানানো গরমিল “মর্মে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। স্থানীয় এলাকাবাসী সহ সাধারণ গরীব অসহায় রোগীরা চিকিৎসা নিতে এসে ডাক্তার না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে চলে যাচ্ছেন।
এই ভুয়া বানানো স্বাক্ষর গুলো এক্সপার্ট বা ফরেনসিক টেষ্টের মাধ্যমে তদন্ত করলে কে এই স্বাক্ষর বানিয়ে দিল এবং কোন সময়ের স্বাক্ষর তা স্পষ্ট ভাবে বের হয়ে আসবে এবং উক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিগত কয়েক বছর পূর্বেও কর্মস্থলে অনুপস্থিত ও কর্তব্যকাজে চরম গাফিলতির অভিযোগে এলাকাবাসীর গণস্বাক্ষর ও পুইছুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্যাডে সকল ইউপি সদস্য এবং চেয়ারম্যান মোঃ তারেকুর রহমান লিখিত ভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অভিযোগ দায়ের করেন।