ফাঁসিয়াখালীর রেঞ্জার ও বিট কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করে বনের জায়গায় হচ্ছে দালান ঘর
উজাড় হচ্ছে শত শত একর বনভূমি -
ওসমান গণি, বিশেষ প্রতিবেদক
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের রিংভং বিট এলাকার দরগাহ্ গেইট এলাকায় সংরক্ষিত বনভূমির জমি দখল করে করা হচ্ছে পাকা দালান ঘর।
অভিযোগ রয়েছে বন বিট কর্মকর্তা ও রেঞ্জারের সাথে যোগসাজশে এরকম অসংখ্য দালান ঘর ও বনভূমি দখল করে ঘরবাড়ি বানাচ্ছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল।
স্থানীয়রা আরো জানিয়েছেন রেঞ্জার মো:সাদেক আর বনবিট কর্মকর্তা জবর দখলবাজদের সাথে মূলত রোদ মেঘ খেলার অভিযান দেখায়।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা চলে গেলে পুনরায় চলে নির্মাণ কাজ বিনিময়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
অপরদিকে উজাড় হচ্ছে জীববৈচিত্র্য বনবিভাগ হারাচ্ছে তার একর একর সম্পত্তি।
সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে দেখা যায়, নবনির্মিত দালানের উত্তর পার্শ্বে রিজার্ভের জায়গার উপর প্রচুর দালান ঘর।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান,রেঞ্জার মো:সাদেকুর রহমান ও বনবিট কর্মকর্তা খসরুল ইসলাম প্রতিটি দালান থেকে ৪/৫লাখ টাকা পর্যন্ত নিয়ে রোহিঙ্গাদের অভয়ারণ্য গড়ে তোলেছেন।
এই বিষয়ে স্থানীয় রিংভং বিট কর্মকর্তা খসরুল ইসলাম জানান,নির্মাণাধীন উক্ত পাকাঘরটি একবার ভেঙে দেয়া হয়েছে এবং জোরদখলকারীর নামে মামলা দায়ের করার পর পুনরায় চুরি করে নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে।
ফাঁসিয়াখাল রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ সাদেকুর রহমানকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তিনি জানান-রিজার্ভ বনভূমির জমি দখল করে নির্মানাধীন উক্ত অবৈধ ঘরটি রিংভং বিট অফিস কর্তৃক একবার ভেঙ্গে দিয়ে ঘরের মালিকের বিরুদ্ধে বন বিভাগ থেকে মামলা দায়ের করা হয়।
তিনি আরো বলেন, বিট অফিস ও রেঞ্জ অফিসের সীমিত জনবলের কারনে সার্বক্ষণিকভাবে অবৈধ দখলদারদের বাধা প্রদান সম্ভব হচ্ছেনা।
শীঘ্রই চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে উক্ত ঘর পুনরায় ভাঙ্গা হবে বলেও জানান এই রেঞ্জ কর্মকর্তা।