প্রতি ইটভাটা থেকে ইউএনও নেয় ৫০ হাজার, পিএস ৫ হাজার

ফাইতং'র ইটভাটার মালিক এই তথ্য জানান-

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

 

 

বান্দরবানের লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোঃ মঈন উদ্দিন ও তার পিএস মোঃ সোহেলের বিরুদ্ধে ইটভাটার মালিকদের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায় ব্রিক ফিল্ডের এক মালিক বলছে ইউএনও ৫০ হাজার এবং পিএস সোহেল ৫ হাজার টাকা করে নিয়েছে।

 

ভিডিওতে কথা বলা ব্যক্তির নাম হচ্ছে ফাইতং এর লম্বাশিয়া এলাকার ব্রিকফিল্ড মালিক মামুন। তার বাড়ি চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নে। তবে এ ব্যাপারে ব্রিকফিল্ড মালিক মামুনের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করেও যোগযোগ করা সম্ভব হয়নি।

 

বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত লামার উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ মঈন উদ্দিনের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে, তিনি মোবাইলের নেটওয়ার্ক সমস্যা বলে ফোন কেটে দেন। পরে প্রতিবেদক কল দিলেও কল রিসিভ করেননি।

 

অভিযুক্ত ইউএনওর পিএস লামা উপজেলা পরিষদের স্টাফ(অফিস সহায়ক) সোহেলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভিডিওতে আমার আর ইউএনও স্যার নাম বলেছে ঠিকই। আমি এটার সাথে জড়িত না। মানুষটাকে আমি চিনিও না।

তবে লামা ইউএনও অফিস সুত্রে জানা যায়, স্টাফ সোহেল লামার ইউএনওর ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউএনও অফিসের এক স্টাফ জানান, ইউএনওর ভূমি রেজিস্ট্রশনে ঘুষ বাণিজ্য, অবৈধ বালুর নিলাম বাণিজ্য এবং ব্রিকফিল্ড থেকে ঘুষের টাকা কালেকশন, সব স্টাফ সোহেলই পরিচালনা করে। বর্তমান ইউএনও আসার পর থেকে সোহেল ক্যাশিয়ারের দায়িত্ব পায়।

 

ফাইতং ব্রিকফিল্ড মালিকসুত্রে জানা যায়, লামার ইউএনও মঈন উদ্দিন লামার প্রায় ৪০টি ব্রীকফিল্ড থেকে ৫০ হাজার টাকা করে ঘুষ বাণিজ্য করেছেন।

 

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি বলেন, ভিডিওটা দেখেছি। বিষয়টি তদন্ত করবো। লোকটিকে হেয়ারিং এর জন্য ডাকা হবে

 

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.