সাতকানিয়ার কেঁওচিয়া বন গবেষণা কেন্দ্রের ২০০ একর বনভূমি উদ্ধার
ভিন্ন ভিন্ন অভিযানে বনভূমি উদ্ধার করেন রেঞ্জার আনিসুর রহমান -
নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতকানিয়া
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া বন গবেষণা কেন্দ্র (BFRI) এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে বন বিভাগ ফিরে পেয়েছে ২০০ একর বনভূমি।
২৩শে এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) প্রতিবেদকের হাতে আসা কিছু নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, ভিন্ন ভিন্ন অভিযানে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে কেঁওচিয়া বন গবেষণা কেন্দ্রের রেঞ্জার আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে এবং সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে বেদখল হয়ে যাওয়া ২০০একর সম্পত্তি ফিরিয়ে আনেন।
এদিকে এই ২০০একর সম্পত্তি উপজেলার স্থানীয় প্রভাবশালী সিন্ডিকেট ও পাহাড় খেকোদের কাছে দীর্ঘদিন ধরে দখলে ছিলো বলে নিশ্চিত করেছেন কেঁওচিয়া বন গবেষণা কেন্দ্র (BFRI) এর দায়িত্বরত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান।
রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুর রহমান শুধু গবেষণা কেন্দ্রের বনভূমিই উদ্ধার করেননি,সংরক্ষিত বনভূমিতে থাকা গাছপালা কেটে নেয়ার অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন বলে দৈনিক সকালের সময়কে নিশ্চিত করেছেন কেঁওচিয়া বন গবেষণা কেন্দ্রটির দায়িত্বরত এক কর্মচারী।
এদিকে ২০০একর একজন ব্যক্তি থেকে উদ্ধার করেননি প্রায় ৫০জন ব্যক্তির দখল থেকে এগুলি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুর রহমান।ফলে একটি বিশাল চক্র তার বিরুদ্ধে নিয়মিত কুৎসা রটাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন।
এদিকে গবেষণা কেন্দ্রটির চট্টগ্রামের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আনিসুর রহমানের সাহসী কার্যক্রমে সন্তুষ্ট বলেও এই প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেছেন একাধিক সূত্র।
২০০একর সম্পত্তি বনবিভাগে ফেরত আসায় রুবেল নামে সাতকানিয়ার স্থানীয় এক ব্যক্তি প্রতিবেদককে বলেন,আসলে এই গবেষণা কেন্দ্রের বিশাল অংশের বনভূমিকে খাস দেখিয়ে একটা সময়- একটা শক্তিশালী সিন্ডিকেট সাতকানিয়া উপজেলা ভূমি অফিসকে ম্যানেজ করে ডিসি অফিসের মাধ্যমে লীজ নিতে চেয়েছিল কিন্তু চক্রটি হেরে যায় রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুরের কাছে।
তখন থেকেই আনিসুর রহমানকে নিয়ে বিভিন্ন গোষ্ঠী বিভিন্ন সময় আক্রান্ত করার চেষ্টা চালায়।
এদিকে একটি চক্রের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে কেঁওচিয়া বন গবেষণা কেন্দ্র মামলা করেছেন বলেও এই প্রতিবেদককে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছেন।