
করোনার পাশাপাশি চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। গত জুলাই মাস থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৭ জন। এছাড়া একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি।
এদিকে চট্টগ্রামে মশার উপদ্রব বাড়লেও মশক নিধনের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই সিটি করপোরেশনের। এমন পরিস্থিতিতে নগরের ১৫টি স্পটে এডিস মশার লার্ভা শনাক্তের বার্তা দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) গবেষক দল।
চট্টগ্রামের ৯৯টি এলাকার ৫৭টি স্পট থেকে নমুনা সংগ্রহের পর গবেষণায় ১৫টি স্পটে শতভাগ এডিসের লার্ভা পাওয়া গেছে বলে জানান তারা। গত ৫ জুলাই থেকে এ জরিপ চালান গবেষকরা। চলতি মাসে এ গবেষণার রিপোর্ট চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) জমা দেওয়া হবে।
চসিক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রামে ডেঙ্গু্র বিস্তার এখন পর্যন্ত ঢাকার মতো প্রকট নয় এবং এখনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। ডেঙ্গু রোগের বিস্তার প্রতিরোধে যেসব অতীব জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া দরকার তা প্রয়োগে চসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগ ও স্বাস্থ্য বিভাগের জনবলকে সক্রিয় রাখতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এডিস মশার প্রজননের উৎসগুলোতে প্রতিষেধক ওষুধ ছিটানো এবং নালা-নর্দমা-খাল ও জলাশয় আবর্জনামুক্ত রাখতে যাবতীয় কর্মপন্থা চলমান রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে কাউন্সিলরদের নিজ নিজ ওয়ার্ডে তদারকি ও নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।