ডিভাইডার লাভের চেয়ে ক্ষতিটাই বেশী, তবুও চুপ আছেন ট্রাফিক পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়ার কেরানীহাটে যানজট নিয়ন্ত্রণে কয়েক বছর আগে সড়কে বসানো হয়েছিল রোড ডিভাইডার। সড়কে এসব ডিভাইডার বসানোর পর থেকে যানজট কিছুটা কমেছে। কিন্তু যানজট নিরসনের জন্য বসানো ডিভাইডারগুলো দিনের বেলায় উপকারী হলেও এতে কোনো রিফ্লেকটিভ বা প্রতিফলক স্টিকার না থাকায় রাতের বেলায় বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। এতে হতাহতের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যানবাহন। সর্বশেষ মঙ্গলবার ভোরেও কক্সবাজারমুখী বালুবোঝায় একটি ট্রাক ডিভাইডারের ওপর উঠে যায়। চালক ও স্থানীয়রা জানায়, রাতে ডিভাইডার ভালো করে দেখা যায় না। ফলে চালকরা গাড়ি তুলে দিচ্ছেন।

ডিভাইডারগুলোতে প্রতিফলক স্টিকার সাটানো না থাকায় রাতের অন্ধকারে ভালো করে দেখা যায় না। ফলে রাতের বেলা দুর্ঘটনা ঘটছে। এসব দুর্ঘটনা রোধে ডিভাইডারগুলোতে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিফলক স্টিকার সাঁটানোর দাবি জানিয়েছেন যানবাহন চালক, যাত্রী ও সাধারণ লোকজন।

কেরানীহাট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনজুর আলম বলেন, ডিভাইডারগুলো বসানোর আগে সড়কে নিত্য যানজট সৃষ্টি হতো। এখন থেকে প্রায় আড়াই বছর আগে সড়কের যানজট নিরসনের লক্ষ্যে সাতকানিয়া থানার তত্কালীন ওসি মো. রফিকুল হোসেন উদ্যোগ নিয়ে সড়কে ডিভাইডারগুলো বসানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। এসব ডিভাইডার বসানোর পর কেরানিহাটে যানজট সমস্যার কিছুটা সমাধান হয়েছে। সড়কে বিশৃঙ্খলভাবে গাড়ি রাখাও কমেছে। কিন্তু সড়কের ওপর বসানো ডিভাইডার রাতের বেলায় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিফলক স্টিকার না থাকায় রাতে গাড়ির চালকরা এসব ডিভাইডার ঠিক ভাবে দেখতে পান না। ফলে প্রায় রাতে এসব ডিভাইডারের ওপর গাড়ি তুলে দিচ্ছেন চালকরা। কেরানীহাটে দায়িত্বরত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর নাজমুল ইসলাম বলেন, ডিভাইডার সংস্কার না হওয়ার বিষয়টি আমরা চিন্তা ভাবনা করছি।

আগামীতে কেরানীহাট গরুর বাজার পর্যন্ত ডিভাইডার বসানো হবে। তাছাড়া তাত্ক্ষণিকভাবে পুরোনো ডিভাইডার যাতে রাতে দেখা যায় সেজন্য রিফ্লেকটিভ স্টিকার লাগানো হবে। এ বিষয়ে দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুমন সিংহ বলেন, ঐ স্থানে অস্থায়ীভাবে ডিভাইডার বসানো হয়েছে। শিগিগরই ঐ পথে ফ্লাইওভারের কাজ শুরু করা হবে। কাজ শেষ হলে সড়কে আর এ ধরনের সমস্যা থাকবে না।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.