চবি ছাত্রলীগের ২০১ জনের কমিটিতে পদ চান ১৪শ’ জন

অনলাইন ডেস্ক:

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিতে ১৪শ’ জনের জীবন বৃত্তান্ত সংগ্রহ করেছে শাখা ছাত্রলীগ। শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২০১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করার পরপর বিভিন্ন আবাসিক হল ও অনুষদগুলোর কমিটি গঠনের কথা ভাবছে সংগঠনটি।

এর আগে গত ৯ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ কমিটির জন্য আগ্রহী নেতা-কর্মীদের জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু। গত ২৮ নভেম্বর শেষদিন পর্যন্ত ১৪শ জন নেতাকর্মী জীবনবৃত্তান্ত জমা দেয়।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল বলেন, ‘করোনা মহামারীর বন্ধের কারণে আমরা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে পারিনি। ইতোমধ্যে আমরা ১৪শ’ জনের বায়োডাটা সংগ্রহ করেছি। ২০১ জনের কমিটি দেওয়ার চিন্তা ভাবনা চলছে।’

সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্নকারী কাউকে কমিটিতে স্থান না দেওয়ার কথা জানিয়ে রেজাউল হক রুবেল বলেন, সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্নকারী, চাঁদাবাজির দায়ে অভিযুক্ত এবং লেবাসধারী জামাত শিবিরের কেউ যাতে কমিটিতে আসতে না পারে সেদিকে সর্বোচ্চ খেয়াল রাখছি। কমিটিতে আওয়ামী পরিবার ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তানদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও জানান তিনি।’

শিগরই কমিটি ঘোষণা করা হবে জানিয়ে সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু বলেন, ‘আমরা পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাথে আমরা সার্বিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তারাও খুব আন্তরিক। মাঠপর্যায়ে যেসব নেতাকর্মী বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন আমরা তাদের তালিকা চূড়ান্ত করে কেন্দ্রে খুব শীঘ্রই জমা দিব।’

ইকবাল হোসেন টিপু বলেন, ‘বিএনপি কিংবা জামায়াত পরিবারের সন্তান, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে ছাত্রলীগের সাথে সংযুক্ত হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স। কমিটিতে এদেরকে কোনোভাবেই আনা হবে না। বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি আমরা।’

সাধারণ সম্পাদক জোর দিয়ে বলেন, ‘পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার সাথে সাথে আমরা অবশ্যই হল ও ফ্যাকাল্টি কমিটি অবশ্যই দিবো। এটা আমাদের চ্যালেঞ্জ। সবগুলো হলে দিতে পারবো কিনা জানিনা। তবে হল কমিটি গঠন করবোই।’

প্রসঙ্গত, প্রায় আড়াই বছর আগে ২০১৯ সালের ১৪ জুন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুই সদস্যের কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এরপর দুই সদস্যের কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে দুইবছর পার হলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকায় হতাশা বাড়ছে এই ইউনিটের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মাঝে। ধারণা করা হচ্ছে, কমিটি পূর্ণাঙ্গ হলে আবারও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চাঙ্গা হবে শাখা ছাত্রলীগের।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.