নিত্যপণ্যের উচ্চদামে দিশেহারা মানুষ

 বিপাকে নিন্ম ও নিন্মমধ্যবিত্তরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নিয়ন্ত্রণে আসছেনা দ্রব্যমূল্য। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম প্রতিদিন বাড়ছে লাগামহীন ভাবে। কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে নিত্যপন্যের উচ্চদামেই দিশেহারা মানুষ। মধ্যবিত্ত,নিম্ন মধ্যবিত্তসহ স্বল্পআয়ের মানুষরা বাজারে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন দ্রব্যমূল্যের অব্যাহত ঊর্ধ্বগতিতে। একদিকে কোন না কোন নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়মিত বাড়ছে,অন্যদিকে যেসব পণ্যের দাম বাড়ে সেগুলো আর কমার লক্ষণ দেখা যায়না। বলা যায়, সয়াবিন তেলের কথা। এটির দাম নির্ধারিত করে দিলেও এখান কার ব্যবসায়ীরা তা আমলে নেননি। এই পর্যন্ত বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। বাজার তদারকির দাবীও জানান ক্রেতা সাধারন। আসন্ন রমজানের আগেই দ্রব্যমূল্যে স্বাভাবিক পর্যায়ে আনা হউক। ঐতিহ্যবাহী ঈদগাঁও বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতি টি নিত্যপন্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তৎমধ্যে- সয়াবিন তেল,আদা,রসুন,পেয়াজ,আটার। এছাড়াও মাছ এবং মাংশের দামও কম নয়। খুচরাও পাইকারি বাজারে নিত্যপণ্যের দামও সাধারণ ক্রেতাদের অস্বস্তির চিত্র দেখা গেছে। স্বস্তির দেখা নেই কোথাও। দেখা যায়, ঈদগাঁও বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে,আদা কেজি ১৪০ টাকা,রসুন ১৪০ ট্কা, আটা ৪০ টাকা, চিনি ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে এখনো নির্ধারিত দামে মিলছেনা তৈল। ১৮০ টাকা দাম রয়ে গেল। আর সর্বনিম্ন সবজির দাম ছিল ৪০ টাকা। এছাড়াও দাম বাড়তির দিকেই রয়েছে কাঁচামরিচ,বরবটি,বেগুন,ঢেঁড়সসহ অধিকাংশ সবজি। শহিদ নামের মুদির দোকানদার জানান, এবছর চড়া দামে বিক্রি করতে হচ্ছে নিত্যপন্যে সামগ্রী। যেই দামে কিনতে হয়, সেই দামে প্রায় বিক্রি করা হচ্ছে। ঈদগাঁওর তরকারী বাজারে এক তেল বিক্রেতার সাথে কথা হলে তিনি জানান, তেলের দাম নির্ধারন করার বিষয়টি এখনো টেলিভিশনের ভেতরে। কিনতে হচ্ছেই দ্বিগুন দামে। কিভাবে কমদামে বিক্রি করবো। ক্রেতা শামসু, কালু ও কাসেমের সাথে কথা হলে তারা জানান, দৈনিক আয়ের ছেয়ে খরছের সংখ্যা বৃদ্ধি। তার পাশাপাশি ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার খরছ। আবার সে সাথে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যেমুল্যে বাড়তি দামে কেনা। সবমিলিয়ে বেকায়দায় আছে অসহায়রা। সচেতন মহলের মতে, ঈদগাঁও বাজারসহ উপবাজার সমুহে নিত্যপন্যে উচ্চদামে বিক্রির বিষয়টি তদারকির জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.