চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংর্ঘষ  

নিউজ ডেস্ক

মঙ্গলবার দুপুর তিনটার দিকে চকবাজার থানার চট্টেশ্বরী সড়কে চমেকের প্রধান ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ছাত্রাবাসে অবস্থান নেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। একে অপর পক্ষের বই খাতা ছিঁড়ে ফেলার পাশাপাশি চেয়ার টেবিল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তবে সংর্ঘষের পরপরই বিপুল সংখ্যক পুলিশ অবস্থান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।

চকবাজার থানার চট্টেশ্বরী সড়কে চমেকের প্রধান ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে। এখনো পরিস্থিতি থমথমে। দুই পক্ষই মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। পুলিশও সেখানে অবস্থান করছে।

সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে বৃহৎ অংশটি হচ্ছে সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন ও ক্ষুদ্র অংশটি হচ্ছে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী। দীর্ঘদিন ধরেই চমেক ছাত্রলীগের একক নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে আ জ  ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী ছাত্রলীগের নেতারা। কিন্তু শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেল এমপি হওয়ার পর বিশেষ করে চমেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হওয়ার পর তার অনুসারীরাও চমেকে অবস্থান সুদৃঢ় করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আগেও দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ছাত্রাবাসের দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘের্ষর ঘটনা ঘটে। দুই পক্ষই পরষ্পরকে দোষারপ করছেন।

চকবাজার থানার ওসি আতাউর রহমান খোন্দকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলেও পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। কেউ হতাহত হয়নি।’ এরআগে ছাত্রবাসে উঠাকে কেন্দ্র করে গত বছরের ১৩ আগস্টও ছাত্রবাসে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল।

তারও আগে গত বছরের ১২ জুলাই চমেক ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে মারামারিতে কমপক্ষে ১৩ জন আহত হন। এরপর নওফেলের অনুসারী চমেক ছাত্রলীগের নেতা খোরশেদুল আলম বাদি হয়ে ১১ চিকিৎসকসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। নাছির অনুসারীরাও নওফেল অনুসারীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছিলেন।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.