চট্টগ্রামের বাঁশখালীর পুঁইছড়িতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে তিনজনকে আটক করেছেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক। এ সময় দুটি ট্রাক ও ৩ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়েছে।
তবে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত মূলহোতারা এখনো অধরা। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বরাবর চিঠি দিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
বুধবার (২০ এপ্রিল) দুপুরের দিকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবর এ চিঠি দেওয়া হয়। এসময় তিনি খুব দ্রুত জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
এদিকে, অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বালু উত্তোলনের দায়ে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে দুটি ট্রাক, জব্দ করা হয় ৩ হাজার ঘনফুট বালু। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদফতর চট্টগ্রাম জেলার উপ পরিচালক মো. ফেরদৌস আনোয়ার, সহকারী পরিচালক মো. আশরাফ উদ্দিন ও এসআই আজীম উদ্দীন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, জঙ্গল পুঁইছড়ি মৌজার ছড়া থেকে কিছু অসাধু ব্যক্তি প্রতিদিন বালু উত্তোলন করার অভিযোগ পাওয়া যায়। ফলশ্রুতিতে আজকে অভিযান পরিচালনাকালে তিনজনকে আটক করা হয় পাশাপাশি দুইটি বালুর ট্রাক ও উত্তোলিত ৩ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়। অসাধুদের ধরতে আমাদের এ অভিযান চলমান থাকবে।
তিনি বলেন, যারা অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে অভিযোগ ও তথ্য পেয়ে ইতিমধ্যে পরিবেশ অধিদফতর, চট্টগ্রামের কাছে তাদের তালিকা পাঠানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, যারা অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এসব আসাধুদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারী বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়ি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফারুক, পুঁইছড়ি ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ফরহাদুল চৌধুরী, পূর্ব পুঁইছড়ি ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খাইনে আলম চৌধুরী, পূর্ব পুঁইছড়ি ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বাচ্চু। তারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।