নিবন্ধনহীন ২ টি বেসরকারী হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা জরিমানা
বাঁশখালী উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
বাঁশখালী প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় নিবন্ধন না থাকায় হাসপাতাল পরিচালনা করায় ২ টি বেসরকারী হাসপাতাল, ৩টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জরিমানা ও আগামী ১ সপ্তাহর মধ্যে কাগজপত্র সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ শনিবার (২৮ মে) বেলা ১২টা থেকে বিকাল ৩ টা পযর্ন্ত উপজেলা সদরের ২ টি হাসপাতাল ও ৩ টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বাঁশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার মাহমুদুল হাসান এর নের্তৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য, পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিউর রহমান মজুমদার, ডাঃ হীরক কুমার পাল উপস্থিত ছিলেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশ মোতাবেক বাঁশখালী উপজেলার হাসপাতাল গুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় নিবন্ধন না থাকায় বাঁশখালী এপোলো হাসপাতালকে ৩০ হাজার, মাতৃসদন হাসপাতালকে ২০ হাজার, নিউ ডেন্টাল কেয়ার কে ৫০ হাজার ও মর্ডান ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে ১ সপ্তাহের মধ্যে কাগজপত্র সংগ্রহ করার জন্য বলা হয়। এই সময় একটি ক্লিনিক সিলগালা ও অন্য ক্লিনিকের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য, পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিউর রহমান মজুমদার বলেন, গত বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সারাদেশের সব অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরই প্রেক্ষিত্রে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালনায় আজ শনিবার বাঁশখালী উপজেলার এপোলো হাসপাতাল, মাতৃসদন হাসপাতাল, মর্ডান ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ ডেন্টাল কেয়ার ও বাঁশখালী আধুনিক হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, বাঁশখালী এপোলো, মাতৃসদন হাসপাতাল, মর্ডান ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও নিউ ডেন্টাল কেয়ারে নিবন্ধন সনদ দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। স্বাস্থ্য, পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.শফিউর রহমান মজুমদার আরও বলেন, উপজেলার প্রত্যেকটি হাসপাতালের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। যেসব হাসপাতাল সরকারি নির্দেশনা মেনে পরিচালনা করছে না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ছাড়া রোগ নির্ণয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়ে সরকার নির্ধারিত মূল্য নেওয়া হচ্ছে কি না তারও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।