ঈদগাঁও প্রতিনিধি:
থেকে পর্যটন খাতের সম্ভাবনাময় আরো এক নতুন মাত্রা যোগ করলো স্বপ্নতরী (জাহাজ)। যেই পার্কের অবস্থান চট্রগ্রাম কক্সবাজার মহা সড়কের গুচ্ছগ্রামস্থ এলাকায় ডানপাশে অবস্থিত। স্বপ্নতরী জাহাজ ও পার্কটি পর্যটন স্পর্টে পরিণত হল। সকালে কিংবা পড়ন্ত বিকেলে হরেক রকম মানুষের কোলাহলে ভরপুর থাকে। চারপাশে সবুজের অনন্য সমারোহ। পাহাড়ে দূর থেকে স্বপ্নতরী জাহাজটি দৃষ্টি কেটে নেয় ভ্রমনপিপাসু মানুষদের। পাহাড়ের চূড়ায় ব্যাতিক্রমী জাহাজ ও শিশুপার্ক নির্মানের মধ্য দিয়ে এলাকাটি গড়ে উঠেছে এক আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে। সেই স্বপ্নের কাজ এখনো চলমান রয়েছে। গতকাল দুপুরে সরেজমিনে পরিদর্শনকালে জানা যায়, সাগরে ভাসমান একটি জাহাজে যা থাকে তার সবই রাখা হয় এটিতে। দেখতে বেশ চমৎকার বটে। এক থেকে তিন তলা পর্যন্ত ভাসমান জাহাজের আদলে তৈরি করা হয়েছে স্বপ্নতরী জাহাজটি। সত্যিই মনোমুগ্ধকর। নান্দনিক এ পর্যটন কেন্দ্রের উদ্যোক্তা রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমার সাথে কথা হলে তিনি জানান, ব্যাক্তিগত উদ্যোগে নয়, স্বপ্নতরী জাহাজটি সমন্বিত উদ্যোগে করা হয়েছে। স্থানীয় কয়জন যুবক জানান, এটি আমরা ( স্থানীয়দের) জন্য একটা বড় প্রাপ্তি। এখানে প্রতিদিন স্থানীয়সহ বাহিরের পর্যটকদের উপচেপড়া ভীড় লক্ষ্য করা যায়। পাহাড়ের চুড়ায় স্বপ্নতরী জাহাজ যেন সম্ভাবনার হাতছানী। চট্রগ্রাম থেকে আসা এক ব্যক্তি জানান, কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছি। সেই সুবাদে মহা সড়কের পাশঘেষে এই জাহাজটি নজর কাটল, যাত্রাপথ থামিয়ে স্বপ্নতরী জাহাজটির সৌন্দয্যে উপভোগ করলাম। এটি একটি দেখার মত পর্যটন স্পট বলেও মন্তব্য করেন তিনি।