পেট্টোবাংলার মহাব্যবস্থাপক (সংস্থাপন) চলতি দায়িত্বে মো. আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অনিময় দুনীতি, অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার পাশাপাশি প্রকাশ্যে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার পরিবর্তে পুরস্কার স্বরুপ তার পছন্দের জায়গায় পদ দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে একটি দূর্নীতিবাজ চক্র। কথায় কথায় দুদকসহ অনেক প্রতিষ্ঠান তার ইশারায় কাজ করে থাকেন বলে অফিস স্টাফদেরভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পেট্টাবাংলার মহাব্যবস্থাপক (সংস্থাপন) চলতি দায়িত্বে মো. আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে গত ২২ ডিসেম্বর পেট্টোবাংলার চেয়ারম্যানের কাছে অনিয়ম দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে শাস্তির দাবি জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন গ্যাস সেক্টরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষে মো. তসলিম নামের এক ব্যাক্তি। লিখিত বক্তব্যে জানায় কোম্পানির গত ২০১৯-২০, ২০২০-২১, ২০২১-২২ সহ পরপর তিন অর্থ বছরে ৩৭ হাজার ২৪০ কোটি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়েছে। আমজাদ হোসেনের মত কিছু ব্যাক্তির অনিয়ম দুর্নীতির কারণে প্রতিষ্ঠানে অগ্রযাত্রা সফলতা বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে। আমজাদ হোসেন ১৯৯৯ সালের ২১ নভেম্বর কোম্পানিতে উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে চাকুরীতে যোগ দেয়। ওই পদে যোগ দেয়ার পর থেকে বিভিন্ন নিয়োগ বাণিজ্য, ঘুষ বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ে। পেট্টোবাংলার মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) নজরুল ইসলাম আর উপব্যবস্থাপক (সংস্থাপন) আমজাদ হোসেনের বাড়ি একই এলাকায় হওয়ায় দুজনের সিন্ডিকেট করে কোম্পানির বিভিন্ন সেক্টরে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ব্যাপক হারে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে। আমজাদ হোনেসের অনিয়ম দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়লে কর্তৃপক্ষ তার প্রভাবের কাছে অসহায়। হিসাব বিভাগের নজরুল ইসলামসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলো আমাজাদের ইশারায় চলে। সংস্থাপনের উপ-ব্যবস্থাপক পদ থেকে উক্ত প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানকে এক কোটি টাকা ঘুষের বিনিময়ে মহাব্যবস্থাপক(প্রশাসন) পদটি গত ৩১ ডিসেম্বর খালি হয়ে পড়লে ভাগিয়ে নেয়ার অপচেষ্টা করছে। হিসাব বিভাগের ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকার অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে জমা পড়েছে দুককে। আমজাদ হোসেন-নজরুলের সিন্ডিকেটের ২০ কোটি টাকা অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে গ্যাস সেক্টরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষে প্রতিষ্ঠানের এক ব্যবস্থাপক ফরিদ উদ্দীন লিখিত অভিযোগ করেন।
অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে আমজাদ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্র বলে দাবি করে বলেন,আমার আত্বীয় স্বজন এবং পরিচিত অনেক সাংবাদিক রয়েছে।
এ বিষয়ে পেট্টোবাংলা চেয়ারম্যান এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী বলেন, কারও বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়াহবে। আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগের কপি এখনো হাতে আসেনি হাতে
আসলে বিষয়টি তদন্ত করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।