নিজস্ব প্রতিবেদক:
চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া চাক্তাই নতুন ব্রীজ নোমান কলেজ রোড়ের বাসিন্দাদের পানি ময়লার দুর্গন্ধের মধ্যে দিয়ে কাটাতে হয় জীবন। কোন বৃস্টি বর্ষার দিন না হলেও ঠিক বর্ষাকালের মতো কাঁদা ময়লা পানি জমে থাকে রাস্তায়। কর্ণফুলী নদী থেকে যে বালি তুলে,বালির সেইল সেন্টার খুলে ব্যবসা করা হয় তা আমাদের সকলের জানা সেটি নতুন কিছু নয়! তবে তাদের অসচেনতার কারণে মানুষের কস্টের শেষ নেই। সেইল সেন্টারের যে বালি নদী থেকে তুলে,তার সাথে শুধু বালি নয় কাঁদা মাটিও ওঠে আসে নদী থেকে। বালি ছাড়া যে ময়লা পানি আর কাঁদা মাটি আসে সেইটি আলাদা কোন রাস্তা ব্যবহার করা হয়না। সেইটি সিটি কর্পোরেশন যে নালা রয়েছে সেইটি দিয়ে আবার ময়লা আর কাঁদা ফেরত পাটানো হয়। তাদের সেইল সেন্টারের পাইপের সাথে নালার সাথে জোগান দিয়ে সেই পানি নালা দিয়ে আবার পাটানো হয় নদীতে। ৩ টা সেইল সেন্টারের পানি এইভাবে নালা দিয়ে আলাদা পাইপ লাগিয়ে নালায় পেলা হয় তাদের ময়লা কাঁদাযুক্ত পানি। কিন্তু সেই বালির সাথে নদী থেকে উঠে আসা কাদাঁ মাটি ময়লা গুলা নালার গবীরের জায়গা দখল করে পুরা নালা বরাট হয়ে যায়।ফলে নালার পানি চলাচল বন্ধ হয়ে ১ কিলোমিটার পুরা রাস্তা কাদাঁমাটি আর ময়লা পানি রাস্তায় চলে আসে নস্ট করছে এলাকার পরিবেশ। নালার ভেতর থেকে রাস্তার বাহিরে ময়লা চলে আসে যার ফলে রাস্তা জুড়ে কাদাঁ মাটি ময়লা পচে দুর্গন্ধ হয়, ময়লার ভাগাড় তৈরি হয়। পরিবেশ দূষণ করে। সিটি কর্পোরেশন থেকে বার বার নালা পরিস্কার করলেও নেই কোন পরিবর্তন। নালার পানি জমে থাকার কারণে স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের যাওয়া আসা থেকে শুরু করে মানুষের যাতায়তের নানা সমস্যা। সিটি কর্পোরেশনের যে নালা রয়েছে তার গবিরতা ১০ ফুট হলেও পুরা অংশ কাদায় আর ময়লা আবর্জনায় পুরা বরাট। পরিস্কার করার সময় ২/৩ ফুট পরিস্কার করে তাই ২/৩ দিন পর আবার জমাট হয়ে রাস্তায় পানি চলে আসে। সিটি কর্পোরেশন বার বার কাজ করলেও নেই কোন পরিবর্তন। নানা অসুবিধার মধ্যে দিয়ে কাটছে মানুষের জীবন।