ভালোবাসা দিবসে হোটেলে গিয়ে তরুণীকে হত্যার অভিযোগে মোস্তাফিজুর রহমান নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় হাটহাজারীর চৌধুরীরহাট এলাকা থেকে আসামি তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ‘যৌন উত্তেজক’ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার মোস্তাফিজুর রহমান বাগেরহাট জেলার সদর থানার আতাইকাঠি এলাকার আব্দুল জব্বারের ছেলে।
র্যাব জানিয়েছে, ভালোবাসা দিবসের দিনে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে কক্সবাজারের আবাসিক একটি হোটেলে রুম ভাড়া নেন তারা। সেখানে বাক-বিতণ্ডার একপর্যায়ে জেসমিন আক্তার নামে ওই তরুণীর উপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে ক্ষোভে তাকে হত্যা করে পালিয়ে চট্টগ্রামে চলে আসেন।
র্যাব আরও জানায়, মোস্তাফিজুর রহমান পেশায় মাদক ব্যবসায়ী ও নারীসঙ্গে আসক্ত। ওই নারীর সঙ্গেও তার বৈবাহিক কোন সম্পর্ক ছিলনা। এরআগে পুলিশের হাতে ৫ বার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মোস্তাফিজ। তার বিরুদ্ধে ঢাকা ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন থানায় ৪টি মামলা রয়েছে। ২০১৮ সালের ২৩ জুন চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করারও একটি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
র্যাবের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নূরুল আবছার বলেন, এরআগেও বিভিন্ন নারীর সঙ্গে হোটেলে অবস্থানের তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনার দিনের সিসিটিভির ক্যামেরায় মোস্তাফিজুর রহমানের চেহারাও স্পষ্ট দেখা গেছে।
এদিকে নিহত নারীর ফিঙ্গারপ্রিন্টে তার পরিচয় সম্পর্কে এখনো কোন তথ্য পাওয়া যায় নি। তার অভিভাবক্তও দাবি করেনি কেউ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রস্তুত না হওয়ার কারণে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটন সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যে এটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি হোটেল কক্ষ থেকে জেসমিন আক্তার নামে ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।