নলুয়ায়- স্ত্রী ও শশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মারধর ভাংচুর করে টাকা ও স্বর্ণ লুট করার অভিযোগ

 

সাতকানিয়া প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নের পূর্ব নলুয়া ৩নং ওয়ার্ড রুস্তম পাড়া এলাকার জাফর আলমের ছেলে মো: কাউছার আলম (৩৩) কে লোহার রড, গাছের বাটাম সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারধর ও হামলার অভিযোগ ওঠেছে তারই স্ত্রী, পিতা ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে।

সাতকানিয়া থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২৯ এপ্রিল শনিবার দুপুর ৩ ঘটিকার সময় কাউছার আলম তার স্ত্রী আবিদা সোলতানক জিপুকে পরকিয়া সম্পর্ক না করতে বারণ করায় এবং তারই পিতার কাছে ধার দেওয়া টাকার বিষয়ে কথা বলতে গেলে স্ত্রী আবিদা সোলতানা জিপু, তার পিতা মাহবুবুল আলম, সহ তার পুত্র সালাউদ্দিন, ইফতেখার উদ্দিন, আবছার উদ্দিন, আলমগীর, আলাউদ্দিনসহ অজ্ঞাত আরো দশজনের মত লোক কাউছার আলমকে লোহার রড়, দা, কিরিচ বটি সহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জখম করে এবং প্রাণে মারার চেষ্টা করে ।

অভিযুক্ত সবাই চন্দনাইশ উপজেলার হারলা ৪নং ওয়ার্ড নাজীর আলী কেরানীর বাড়ি এলাকার বাসিন্দা।

থানায় দায়ের করা অভিযোগ  সূত্রে আরও জানা যায়, অভিযুক্ত স্ত্রী পরকিয়ায় আসক্ত এবং তার পিতা ধার নেওয়া টাকা না দেওয়ার উদ্দেশ্যে হামলা করে এবং মিথ্যা মামলায় ফাসানের ভয় দেখায়।  আরও জানায়, অভিযুক্ত আলমারি ভেঙে নগদ ৮ লক্ষ ৬৬ হাজার ও স্বর্ণ অলংকার লুট করে নিয়ে যায় ।

অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, কাউছারকে বাঁচাতে তার মা আছিয়া খাতুন এগিয়ে আসলে তাকেও কিরিচ ও বটি দিয়ে জখম করে এসময় তার আঙুল কেটে যায়। এরপর স্থানীয়রা এসে তাদেরকে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তার মাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে ।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাতকানিয়া থানার ওসি তদন্ত আবুল কালাম বলেন মারামারির ঘটনায় পাল্টাপাল্টি দুইটা অভিযোগ জমা পড়ছে দুনোটা সুষ্ট তদন্তের জন্য থানার এসআই মুমিনুল হককে দেয়া হয়েছে।

এদিকে এসআই মুমিনুল হকও একই ঘটনার দুইটা অভিযোগ হাতে পেয়েছেন মর্মে জানিয়ে ঘটনাস্থলে যাবেন বলে জানান।

 

এদিকে আহত আছিয়া খাতুন বলেন -সামান্য কথা থেকেই মূলত আমার শরীরে চাকু চালিয়েছে আমার পুত্র বধূ, আমার শরীরে ৯টি সেলাই করা হয়েছে।

অপরদিকে থানা সূত্রে জানা গেছে কাউসারের শ্যালকের মাথায়ও ৭টি সেলাই করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.