নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় প্রেমিক স্বামীকে মেনে না নিয়ে মেয়েকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে পরিবারের বিরুদ্ধে। জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছে ওই তরুণী।
এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই তরুণীর স্বামী।

ঘটনাটি সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে।
জানা গেছে, প্রতিবেশি হওয়ার সুবাদে ওই তরুণের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ওই তরুণীর। জানাজানি হলে দুই পরিবার প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিয়ে পরে বিয়ের আশ্বাস মেয়ের ভরণপোষণ চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ছেলের পরিবার তরুণীর ভরণপোষণ বাবদ সে থেকে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা মেয়ের পরিবারকে দেয়। এরপরও বিয়ে বাবদ আরও আড়াই লাখ টাকা দাবি করে মেয়ের পরিবার। তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মেয়েকে টাকা নিয়ে জোরপূর্বক অন্য জায়গায় বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালায়। এরমধ্যেই ছেলে আদালতের মাধ্যমে কাবিন করে মেয়েকে বিয়ে করে নেয়। জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে আদালত স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে বসে বিষয়টি সুরাহা করারও নির্দেশ দেন। তবে তা মানতে নারাজ মেয়ের পরিবার। এসব না মেনে ছেলের বিরুদ্ধে আদালতে উল্টো মামলা করে। আবারও মেয়েকে অন্য জায়গায় বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছে ওই তরুণী।

ছেলেটি বলেন, ‘প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেওয়ার পরও বিয়েতে গড়িমসি করায় আমরা আগেই আদালতের মাধ্যমে বিয়ে-কাবিন করি। এরমধ্যে শশুর শাশুড়ির দাবি করা টাকা দিতে রাজি না থাকায় তারা মেয়েকে অন্য জায়গায় বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আমার স্ত্রী আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছে। অঘটন থেকে বাঁচতে আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি।

এদিকে অভিযোগে দেয়া অভিযুক্ত হারুনকে কল করা হলো তিনি বলেন-তারেকের সাথে যে মেয়ের বিয়ে ঠিক আছে সেটা অন্যত্রে কেন বিয়ে দেয়া হচ্ছে তা আমাদের ইউপি সদস্য নাছির সাহেব জানবেন।
আমি এই বিষয়ে আমি কিছু জানিনা।
এদিকে মেয়ের মা বুলবুল আক্তারকে কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অপরদিকে ইউপি সদস্য মো:নাছিরকে কল করা হলে তিনিও ফোন ধরেননি।
অপরদিকে জমির উদদীন নামে মেয়ে পক্ষের এক আত্বীয় বলেন-তারেকের বিয়ের সব ডকুমেন্টস ভূয়া,তখন তাকে পাল্টা প্রশ্ন করা হয় মানলা ডকুমেন্টস ভূয়া ঐ ডকুমেন্টস এর বিপরীতে ইতিমধ্যে মেয়ের মা বুলবুল আক্তার চট্টগ্রাম চীফ জ্যুডিসিয়াল আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে ওই মামলা সিআইডিতে তদন্তের জন্য পাঠায় আদালত,তাহলে ওই তদন্তের রিপোর্টের আগেই বাদী কেন অন্য সিদ্ধান্ত নিবেন?
তখন জমির উদদীন চৌধুরী বলেন-আসলে সেটা ঠিক কিম্তু উপযুক্ত মেয়ে তো চিন্তা করলাম বিয়ে দিয়ে ফেললে ঝামেলা কমে যাবে।
এদিকে স্থানীয়রা জানান-বিয়ে হয়ে গেল তারেকের সাথে এটা নিয়ে তো মামলা মোকদ্দমাও চলছে উভয় পক্ষে তবুও কেন আবার মেয়ের চাচাত ভাইকে বিয়ে দেয়া হচ্ছে তা আমাদের বোধগম্য নয়।
মেয়েটি তারেকের বউ হিসেবে একাধিক তথ্য এই প্রতিবেদকের হাতে সংরক্ষিত আছে।