চট্টগ্রাম সংবাদ ডেস্ক রিপোর্ট
সাতকানিয়ায় এক কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভনে বাড়ি থেকে বের করে পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে এক রাত রেখে ধর্ষন করে পালিয়ে যায় যুবক।
শুক্রবার (১৪ই জুলাই) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সংবাদকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন ধর্ষিতা কিশোরীর পিতা।
গেল ৩ই জুলাই সন্ধ্যার সময় সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের ২নং আশ্রায়ন প্রকল্পের শফিক মেকানিকের স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে ফুঁসলিয়ে নিয়ে যায় একই এলাকার সালাহ উদদীন নামে এক যুবক।
কিশোরীর পিতা মেকানি শফিক আহমদ চট্টগ্রাম সংবাদকে বলেন-আমার প্রতিবেশী সালাহ উদদীন নামে এক যুবক গত রমজানের ঈদের পর থেকে আমার মেয়েকে বিয়ে করার প্রস্তাব পাঠাই তবে ছেলে পিতামাতার অগোচরে।
আরো পড়ুন
পিতামাতার অগোচরে হওয়ায় আমি প্রস্তাব প্রত্যাখান করলে ছেলেটি আমার মেয়ের সাথে এক পর্যায়ে সখ্যতা গড়ে তোলেন পরবর্তীতে উভয়েই তারা ফোনে যোগাযোগ করে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
কিন্তু ৩রা জুলাই বিয়ে করবে বলে মেয়েটাকে তোলে নেয় সালাহ উদদীন পরে সন্ধ্যায় বের হয়ে মেয়েটিকে সে নষ্ট করে এর পরের দিন সকালে ফেলে চলে যায়।
এদিকে স্থানীয়রা বলেন-ঘটনাটি সত্য তবে ছেলের সাথে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক আছে সেই সুবাদে মেয়েটাকে নিয়ে গিয়ে পশ্চিমের পাহাড়ে ধর্ষন করে ছেলেটি বর্তমানে পলাতক।
এদিকে মেয়েটির পিতা শফিক মেকানিক সকালের সময়কে আরো বলেন আমি ঘটনার পরে স্থানীয় ইউপি সদস্যা তসলিমা আক্তার মুন্নীর কাছে গেলে মুন্নী মেম্বার আমাদের সাতকানিয়া থানায় নিয়ে অভিযোগ করি।
পরে মুন্নী মেম্বার চলে আসতে বল্লে আমরা চলে আসি এখন শুনতেছি থানায় নাকি অভিযোগ করা হয়নি।
এদিকে ধর্ষণ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ সাতকানিয়া থানার এসআই আবু বক্করের হাতে হাতে দেয় বলে নিশ্চিত করেন ইউপি সদস্যা তসলিমা আক্তার মুন্নী।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে সাতকানিয়া থানার এসআই আবু বক্কর বলেন-হ্যাঁ এরকম একটি অভিযোগের কপি আমার হাতে দেয় ইউপি মেম্বার মু্ন্নী পরে তারা উভয়ে বসে শেষ করবে বলেছেন তাই আমরা এই বিষয়ে আর আগায়নি।
এদিকে তসলিমা আক্তার মুন্নী বলেন- বিয়ের প্রলোভনের ধর্ষনের ঘটনাটা শতভাগ সত্য তবে মেয়েটির পরিবার মামলা করতে ইচ্ছুক নয়।
এদিকে কিশোরীর মা বলেন-ধর্ষনের ঘটনায় আমরা একটি মামলা করেছি আদালতে, তদন্তকারী সংস্থা আমার মেয়েকে হাসপাতালে নেয়ার জন্য আসবে বলেছে।