সাতকানিয়া উপজেলা প্রতিনিধি
সাতকানিয়ায়-ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় গ্রেফতার হলো প্রবাসীর স্ত্রী ঘরে কাঁদছে দুই বছরের ছেলে শিশু।
সাতকানিয়া উপজেলার চরতীর ৯নং ওয়ার্ডের বন্ডেয়া নামক এলাকায় গতকাল(বুধবার)গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটে।
আটককৃত নারী চরতী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বন্ডেয়া এলাকার প্রবাসী নুরুল আলমের স্ত্রী কামরুন্নাহার (৩৫)।
তাকে নারীও শিশু আদালতের একটি মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানামূলে আটক করেন সাতকানিয়া থানা পুলিশ।
জানাযায়-কামরুন্নাহারের ননদের ছেলে সেলিম একই এলাকার তানিয়া নামে এক মেয়ের সাথে প্রেম করে পালিয়ে গত জানুয়ারী ২০২৩ চট্টগ্রামের বক্সির হাটে তারা দুজনের সম্মতিতে বিয়ে রেজিষ্টেশন করেন।
পরবর্তীতে তানিয়ার পরিবার না মেনে চট্টগ্রাম নারী শিশু আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন ওই মামলায় সম্পূর্ন তৃতীয় পক্ষ কামরুন্নাহারকে আসামী করা হয় সেলিমের সাথে আত্বীয় এবং যোগসাজশ করার অভিযোগে।
কিন্তু এলাকায় গিয়ে গোপনে ও প্রকাশ্যে তদন্তে প্রতিবেদক জানতে পারেন গ্রেফতারকৃত কামরুন্নাহার সেলিমদের বিয়ের বিষয়ে কিছুই জানেনা।
এদিকে এলাকার একাধিক বাসিন্দা প্রতিবেদককে জানিয়েছেন গ্রেফতারকৃত কামরুন্নাহারের কোলে ২বছরের একটি সাব্বির নামে একটি ছেলে শিশুও আছে।
বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় আটককৃত মা(কামরুন্নাহারে)খোঁজে কোলের শিশু সাব্বির গতরাত থেকে কান্নাকাটি করে যাচ্ছে।
এদিকে আটককৃত কামরুন্নাহারের বৃদ্ধ বাবা হাউৃাউ করে কান্নাকাটি করে প্রতিবেদককে বলেন-সেলিম মেয়ে একটাকে নাকি চট্টগ্রামে নিয়ে বিয়ে করছে তাহলে আমার মেয়ে কামরুন্নাহারের কাজ কি?
কেন ওরা আমার মেয়ের নামে চট্টগ্রাম নারীও শিশু আদালতে মামলা করবে?
এখন আমার ২বছরের নাতিকে কে দেখবে?
এদিকে চরতী ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বলেন- চলতি বছরের জানুয়ারীতে সেলিমের সাথে তানিয়ার বিয়ে হয় তানিয়ার বয়স এখন ২৩বছর কিন্তু তানিয়ার পরিবার পয়সাওয়ালা ও প্রভাবশালী হওয়ার কারণে শিশু অপহরণ উল্লেখ করে অসহায় নিরীহ প্রবাসীর স্ত্রীকে ফাঁসানো হয়েছে।
অথচ!ছেলে এবং মেয়ে দুজনই প্রাপ্ত বয়স্ক এখন আটককৃত শিশু মা ছাড়া ঘরে খুব কান্নাকাটি করে যাচ্ছে।
এদিকে ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ থেকে নিয়ে তানিয়ার ভাই হাসানের ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল দিলে মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়।