বাঁশখালীতে রাতের অন্ধকারে ভাংচুর, হামলা ও অগ্নিসংযোগ

৯৯৯ জরুরী সেবার ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ

 

 

 

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শীলকূপ ইউনিয়নের মনকিচর গ্রামে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী হামলা ও স্থপনা ভাংচুর ও অগিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ৯৯৯ জরুরী সেবার ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। সোমবার গভীর রাতে সন্ত্রাসীরা হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজলার শীলকূপ ইউনিয়নের মনকিচর গ্রামের আব্দুল্লাহ্ আল সাঈদ, কামরুনেসা, জানাতুল বকেয়া পরিবারের সাথে ৯ শতক বিরাধীয় জমি নিয়ে দীর্ঘ দিন থেকে এলাকার পার্শ্ববর্তী এনামুল হক, তৌহিদুর রহমান, আবু তাহের, মোজাফফর আহমদ গং দের মধ্য বিরাধ চলে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় কামরুনেসা গং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রট আদালত, চট্টগ্রাম মিছ মামলা নং- ৭০৪/২০২২ দায়ের করেন। মামলাটি চলমান অবস্থায় বিজ্ঞ আদালত শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পযর্ন্ত নালিশী ভূমিতে অনুপ্রবেশ করিয়া শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আদালত নির্দেশ প্রদান করন। অভিযুক্ত ব্যক্তি এনামুল হক গংদের সাথে মুঠা ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায় নাই।

মামলার বাদী পক্ষের আব্দুল্লাহ্ আল সাঈদ অভিযাগ করন, এনামুল হকর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে রাত ৩টার দিকে হামলা করে। তারা আষ্ফালন দেখিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও অগিসংযোগ লুটের ঘটনাটি ঘটিয়েছেন বলে অভিযাগ করেন। ৯৯৯ জরুরী সেবা নাম্বারে ফোন করার পর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বাঁশখালী থানার এস,আই আহসান হাবিব বলেন, আদালত থেকে ফঃ কাঃ বিঃ আইনর ১৪৫ ধারা মতে দুই পক্ষকে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। যারাই ঘটনাটি ঘটিয়েছে অন্যায় করেছে। রাত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ কামাল উদ্দিন বলেন, ৯৯৯ জরুরী ফোন করার পর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.