পটিয়া প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের পটিয়ায় চুরি হওয়া গরুসহ সংঘবদ্ধ চোরচক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারী) রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী মো. হোসেনকে তার নিজ বাড়ী হতে আটক করা হয়। এসময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সে জানায় যে, বাঁশখালী থানা এলাকার জনৈক করিম হতে ২টি চোরাইকৃত গরু কম মূলে ক্রয় করে কৈয়গ্রাম এলাকার জসিম এর নিকট বিক্রয় করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার মৃত সামশুল আলমের ছেলে মো. হোসেন (৩২), একই এলাকার ইদ্রিচের ছেলে মো. জসিম (৩৩)।
পটিয়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলামের তত্বাবধানে ও ওসি জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে উপপরিদর্শক শিমুল চন্দ্র দাস সহ একদল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে চোর চক্রের অন্যতম সদস্য মো. হোসেনকে গ্রেফতার করে। এসময় সে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, বিভিন্ন এলাকা হতে চোরাইকৃত গরু সে নিজ হেফাজতে রেখে অন্যত্রে বিক্রয় করে থাকে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সে আরো জানান যে, বাঁশখালী থানা এলাকার জনৈক করিম হতে ২টি চোরাইকৃত গরু কম মূল্যে ক্রয় করে কৈয়গ্রাম এলাকার জসিমের নিকট বিক্রয় করে। গরু চোর চক্রের সদস্য জসিমকে নিজ বাড়ী হতে আটক করে চোরাইকৃত ২টি গরুর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায় উক্ত গরু ২টি হোসেনের কাছ থেকে ক্রয় করেছে। তখন তার দেখানো মতে জিরি ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কৈয়গ্রাম এলকার আসামী জসিমের বসত বাড়ীর গোয়াল ঘর হতে ১টি ধুসর কালো রংয়ের মাঝারি গাভী উদ্ধার করা হয়। গরুটির আনুমানিক মূল্য ৩০ হাজার এবং অপর ১টি লাল রংয়ের বকনা বাছুর যার আনুমানিক মূল্য ২০ হাজার টাকা।
পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জসীম উদ্দীন বলেন, গরুসহ আটক দুই চোর চক্রের সদস্যের বিরুদ্ধে আজ বুধবার দুপুরে মামলা রজু করে পটিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। পটিয়ায় গরু চুরি রোধ করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।