নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে একটি মুরগীর পোল্ট্রি ফার্মকে কেন্দ্র করে একের পর এক মামলা করার অভিযোগ ওঠেছে আপন বোন ও বোন জামাইয়ের বিরুদ্ধে।
২৫শে জানুয়ারি (শনিবার) এমন তথ্য জানান উপজেলার খাগরিয়ার ৯নং ওয়ার্ডের চরখাগরিয়ার মৈশামুড়া এলাকার কবির আহমদের ছেলে মো: মঞ্জুর (৩৪)
অভিযুক্তদ্বয় হলেন মন্জুরের বোন নুরুন্নাহার তানিয়া ও তার স্বামী হাফেজ আহমদ।
এদিকে আপন ভাই মঞ্জুরের বিরুদ্ধে নুরুন্নাহার তানিয়া বাদী হয়ে চট্টগ্রাম চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৩০/১২/২০২৪ তারিখে সিআর ৯২৩ মামলা দায়ের করেন।
অপরদিকে নুরুন্নাহার তানিয়া এবং তার স্বামীর বিরুদ্ধে একই আদালতে মঞ্জুরের পোল্ট্রি ফার্মসহ বিভিন্ন বিষয়াদি উল্লেখ করে গত ২৯/১২/২০২৪ তারিখে একটি সিআর মামলা দায়ের করেন।
অর্থাৎ মঞ্জুরের মামলাটি ঠেকানোর জন্য এর একদিন পরে বোন জামাই হাফেজের পরামর্শক্রমে তানিয়া ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।
এদিকে মঞ্জুরের বিরুদ্ধে বোন জামাই ও বোন মিলে একটি পোল্ট্রি ফার্ম ও কিছু জায়গার বিরোধ নিয়ে বেশকয়েকটি মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানা যায়।
বোন জামাই হাফেজ আহমদের মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা পিবিআই এবং অধিকতর তদন্তেও সত্যতা মেলেনি মনজুরের বিরুদ্ধে।
এদিকে সর্বশেষ গত ডিসেম্বর ভাই বোনের এবং বোন জামাই হাফেজ আহমদের দায়ের করা পাল্টাপাল্টি মামলাগুলো তদন্তের জন্য আদালত সাতকানিয়া থানাকে দায়িত্ব প্রদান করেন।
মো:মঞ্জুর প্রতিবেদককে বলেন,আমার বিরুদ্ধে আমার বোন জামাই হাফেজ আহমদ নানা রকম ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে, তাদের হয়রানিমূলক মামলা চালাতে চালাতে আমি প্রায় ক্লান্ত হাফেজ আহমদ সর্বশেষ আমার বোনকে দাড় করিয়েও আমার বিরুদ্ধে নীলনকশা বাস্তবায়ন করতে চায়।
আশা করি সাতকানিয়া থানা প্রশাসন বিষটি ভালো ভাবে তদন্ত করে মাননীয় আদালতকে সঠিক প্রতিবেদনটি দিবেন।
অপরদিকে মামলার তদন্ত প্রাপ্ত ওসি (তদন্ত) আব্দুল মুন্নাফ বলেন,আসলে তাদের ভাইবোনের মামলা গুলো মোটেও বিশ্বাস যোগ্য নয়,এবং এই মামলাগুলিতে বৃহত্তর কোন স্বার্থও নেই।
জমিজমার বিরোধের মামলা হলে ওই মামলার সঠিক প্রতিকার পেত তারা,এখন তাদের মামলাগুলিতে তেমন কোন মেরিট নেই।
বোন জামাই হাফেজ আহমদের দায়ের করা শ্যালক মন্জুরের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলারও কোন সত্যতা পাওয়া যায় নি।
তিনি আরো বলেন, এখন নতুন আসা মামলাও আগের মত নিরপেক্ষ তদন্ত হবে সমস্যা নেই।