জায়গা বিরোধের নাটক সাজিয়ে নেপথ্যে চাঁদাবাজি, ভুক্তভোগী আনলেন আদালতের আদেশ

সাতকানিয়ার চূড়ামনিতে-

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে জবরদখল খুনখারাপি মারধর চুরি ছিনতাই।

কিন্তু এবার চাঁদাবাজির নয়া কৌশল আবিস্কার করেছে পশ্চিম সাতকানিয়াকে জিম্মি করে রেখে ভূমিদস্যুতায় জড়িত একটি সিন্ডিকেট।

 

ওই সিন্ডিকেটের কবল থেকে রেহায় পাচ্ছেনা কেউ,জমিজমার বিরোধ সাজিয়ে সাতকানিয়ার এওচিয়ার চূড়ামণি এলাকায় পাক্কা দোকান সংলগ্ন মৃত বজল সওদাগরের ছেলে নেজাম নামে স্থানীয় এক মৌসুমি ব্যবসায়ির সাথে কোন কারণ ছাড়াই-জমিজমার বিরোধের উছিলা তোলে চাঁদাবাজি করার অভিযোগ ওঠেছে ভিন্ন ইউনিয়নের এক যুবকের বিরুদ্ধে।

২রা জানুয়ারি (শুক্রবার) সকালে এওচিয়ার চূড়ামণি এলাকায় পরিদর্শনে গেলে  প্রতিবেদককে ভুক্তভোগী  নেজাম উদদীন নামে এক যুবক এই ঘটনা তোলে ধরেন।

 

অভিযুক্ত যুবক, একই উপজেলার কাঞ্চনা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের গোলজান পাড়ার মৃত আব্দুল বারীর ছেলে আব্দুল ফাত্তাহ।

 

ভুক্তভোগী নেজাম উদদীন বলেন -জায়গা বিরোধের উছিলার নেপথ্যে ভিন্ন কিছুর ইঙ্গিত বুঝতে পেরে আমি কান্চনার বাসিন্দা মৃত বারীর ছেলে আব্দুল ফাত্তাহ এর বিরুদ্ধে মাননীয় এডিএম কোর্ট চট্টগ্রাম দক্ষিণে একটি ১৪৫ধারা ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছি।

 

ফৌজদারি মামলায় সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার্থে একটি আদেশ দিয়েছেন, পরে সাতকানিয়া থানার এএসআই খান মুহাম্মদ আছহাব মামুন নামে এক কর্মকর্তা বিরোধীয় জায়গা পরিদর্শন করেছেন।

 

মূলত জায়গা জমির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র আব্দুল ফাত্তাহ নামে ওই যুবককে সাইনবোর্ড বানিয়ে আমার দোকানঘর ও আমাদের বসতভিটায় আমি যে ইট কংকর রেখেছি ওখান থেকেই চাঁদা চাচ্ছে।

ফাত্তাহ এর দখলীয় জায়গা তার দখলেই আছে,মূলত সে যার থেকে কিনছে আমরাও তার থেকে নিছি।
এতদিন পরে এসে সরশ নিরসে ব্যবধান উত্তোলন করে ঝামেলা পাকাতে চাচ্ছে, অন্য ধান্দায়।

 

এদিকে ঘটনাস্থলে যাওয়া এএসআই মামুন বলেন-
আমি ১৪৫ ধারার মামলার নোটিশ পাওয়ার পর উভয় পক্ষকে নোটিশ জারী করেছি।
বিরোধীয় সম্পত্তিতে আইনশৃংখলা স্বাভাবিক আছে,কোন সমস্যা নেই।

এবং ওই বিষয়টা সিরিয়াসলি নজরে রাখছি।

 

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.