সৈয়দ আককাস উদদীন, চট্টগ্রাম থেকে
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করার পর থেকে অনিয়ম,ভেজাল, অবৈধ শিল্প কারখানা এবং ইটভাটা ও মাটির টপসয়েল কাটা ও পাহাড়ের মাটি কাটা, মানহীন বেকারী, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে সকল অপরাধের বিরুদ্ধে সবমিলিয়ে অন্তত ১৩০ টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করেছেন সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান।
বৃহস্পতিবার (৮ই জানুয়ারি) বিকালে সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসনের সাম্প্রতিক কালের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা নথিপত্র ঘেঁটে এই তথ্য পাওয়া যায়।
উপজেলা প্রশাসনে সূত্রে জানা যায়, বর্তমান ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান সাতকানিয়া উপজেলায় যোগদান করেছেন মাত্র ৪মাস ৮দিন অতিবাহিত হয়েছে।
এই ৪মাস ৮দিন সংখ্যায় হিসাব করলে দাড়াঁয় মাত্র ১২৮দিন কর্ম দিবস।
তিনি এই ১২৮দিনেই তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেছেন ১৩০টি।আর এই অভিযানের বিপরীতে জরিমানা আদায় করেছেন ৪০লাখ টাকারও অধিক।
সাতকানিয়া পৌরসভার বাসিন্দা মোজাম্মেল বলেন,উপজেলা প্রশাসনের সকল কাজ সম্পাদন এবং সাতকানিয়া পৌরসভায় মেয়র না থাকার কারণে পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব আবার বিভিন্ন ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা অপরদিকে রাত-বিরেতে পাহাড় কাটার বিষয়ে মাটি খেকোদের ধরতে যাওয়া, সবমিলিয়ে আমাদের ইউএনও যেন এই উপজেলার জন্য এক অদম্য যোদ্ধা।
এদিকে সাতকানিয়ার আরেক বাসিন্দা মোজাফফর বলেন,এই ইউএনও’র সকল ব্যস্ততার মাঝেও কিন্তু মানবিক কাজকর্মে নিজেকে যতটুকু পারেন নিয়োজিত রাখেন যার কারণে ইতিমধ্যে তিনি প্রশংসা কুঁড়িয়েছেন।

তিনি আরো বলেন,ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসানের অন্যতম একটি কাজ হচ্ছে উপজেলা ভূমি অফিসের দালালদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য জিরোটলারেন্স দেখানো এবং উপজেলার আওতাধীন সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সার্টিফিকেট এবং ওয়ারিশান সনদের মূল্য নির্ধারণ করিয়ে গরীব দু:খী মানুষের কষ্ট লাঘব করা,এবং সাতকানিয়া থানার সামনে কম্পিউটারের দোকানে থানায় জমা দেয়ার অভিযোগ লিখে দেয়ার মূল্য নির্ধারণ করিয়ে দেয়া।
অতীতের সবকিছু ছাপিয়ে আমাদের এই ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান কিন্তু ক্লান্তিহীন এক পুরুষ।
উল্লেখ্য: ১৩০ টি মোবাইল কোর্টে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা আদায় মাত্র ৪ মাস ০৮ দিন সময়কালে