হোমনায় প্রবাসীর স্ত্রী, ছেলে ও ভাতিজাকে গলা কেটে হত্যা: এক সপ্তাহেও গ্রেপ্তার নেই

ডেস্ক রিপোর্ট 

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ঘারমোড়া ইউনিয়নের উত্তর মনিপুর গ্রামে এক প্রবাসীর ঘরে ঢুকে তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও ভাতিজাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনার এক সপ্তাহ পার হলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

হোমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দীনেশচন্দ্র গুপ্ত বলেন, ‘এই ঘটনায় নিহত পাপিয়া আক্তার সুখীর স্বামী জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

গত সোমবার দিবাগত রাতে উত্তর মনিপুর গ্রামে সৌদিপ্রবাসী জহিরুল ইসলামের বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তাঁর স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখী (৩২), তাঁদের ছেলে মো. হোসাইন (৪) এবং সুখীর ভাশুর আব্দুস সাত্তারের ছেলে জুবাইরকে (৭) গলা কেটে হত্যা করে। পরে তিনজনের মরদেহ বাড়ির তিনটি কক্ষে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ঘটনার খবর পেয়ে কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেন।

স্ত্রী, সন্তান ও ভাতিজা হত্যার খবর পেয়ে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন জহিরুল ইসলাম। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.