সমকামিতার অভিযোগে শিবির নেতা এজিএস ইব্রাহিমের সিট বাতিল
বাহ শিবির চমৎকার, সমকামীর পাহারাদার স্লোগানে চলছে বিক্ষোভ -
ঢাবি প্রতিনিধি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল সংসদের সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ও ছাত্রশিবির নেতা ইব্রাহীম খলিলের কক্ষে দুই অতিথির বিরুদ্ধে সমকামিতায় জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইব্রাহীম খলিলের সিট সাময়িকভাবে বাতিল ও তদন্ত করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছে হল প্রশাসন।ভিডিও ছড়ানোর পর এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে এজিএস ও ছাত্রশিবির কর্মী ইব্রাহীম খলিল বলছেন, ওই দুই যুবক চিকিৎসার কথা বলে আসায় তিনি তাদের থাকতে দিয়েছিলেন।সমকামিতার অভিযোগ ওঠার পর প্রতিবাদে হল চত্বরে মিছিল করেছেন হলের একদল শিক্ষার্থী।ইব্রাহীম খলিল ডাকসুর হল সংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের সমর্থনে হলের সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) নির্বাচিত হন। তিনি ছাত্রশিবিরের কর্মী বলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুহা. মহিউদ্দিন খান জানিয়েছেন।এজিএস ইব্রাহীম খলিলের রুমমেট ও হলের আবাসিক শিক্ষার্থী অনয় চৌধুরী এক ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, গত ২৭ জুলাই ইব্রাহীম খলিলের কক্ষে তার দুই অতিথিকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাদের বক্তব্য ও স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়। তিনি পোস্টে লেখেন, ঘটনাসংশ্লিষ্ট কিছু সংবেদনশীল ভিডিও প্রকাশযোগ্য নয় এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।বিষয়টি নিয়ে ফেসবুক পোস্টে খলিল লেখেন, “ঘটনাটি আমার রুমে ঘটলেও এ বিষয়ে আগে থেকে আমার কোনো ধরনের ধারণা বা সম্পৃক্ততা ছিল না। অতিথিরা চিকিৎসার জন্য এসেছিল বলে আমি থাকতে দিয়েছিলাম।“ঘটনার সময় আমি রুমে ছিলাম না এবং পরে কেউ আমাকে বিষয়টি জানায়নি। বিষয়টি জানতে পেরেই আমি এর নিন্দা জানাচ্ছি এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে সহযোগিতা করব।”বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে তদন্ত করে দেখার কথা বলছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মহিউদ্দিন খান।তিনি বলেন, “তদন্ত করে দেখব আসলে সে (খলিল) এ কাজের সঙ্গে জড়িত কি না, বা তার অজান্তেই তার রুমে অতিথিরা একাজ করছে কি না। আর আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও হল প্রশাসনকে বলব অপরাধ হলে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে।”এ বিষয়ে শহীদুল্লাহ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আমিনুল ইসলাম ভূইয়া বলেন, ইব্রাহীম খলিলের সিট সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।