চকরিয়ায় ডাকাতি ও ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার, এলজি বন্দুকসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

 

মো. সেলিম উদ্দিন 

কক্সবাজারের চকরিয়ায় চাঞ্চল্যকর ডাকাতি ও ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় আসামি জিসান (২৫)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি দেশীয় তৈরি এলজি বন্দুকসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল)-এর তত্ত্বাবধানে এবং চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ও চকরিয়া থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ২৮ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ দুপুর ১টা ১০ মিনিটে চকরিয়া থানাধীন পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের বটতলী বাজারের দক্ষিণ কোনাখালী এলাকা থেকে জিসানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি চকরিয়া থানার মামলা নং-২০/২৪৭, তারিখ ১০ জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, পেনাল কোডের ৩৯৫/৩৯৭ ধারা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২৫)-এর মামলার এজাহারনামীয় ২ নম্বর আসামি।

গ্রেপ্তারের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২৯ আগস্ট রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে কোনাখালী ইউনিয়নের খাসপাড়া, দক্ষিণ কোনাখালী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় আসামির দেখানো ও শনাক্ত মতে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নূর মোহাম্মদের টিনের বসতঘরের কাঠের সিলিংয়ের ওপর বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়

১টি পুরোনো দেশীয় তৈরি একনলা এলজি বন্দুক১টি সেলাই রেঞ্জ গ্রীল কাটার১টি দামা১টি কিরিচ

পুলিশের দাবি, উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাতির কাজে ব্যবহারের কথা স্বীকার করেছে গ্রেপ্তারকৃত আসামি। উদ্ধারকৃত আলামত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে যথাযথভাবে জব্দ করা হয়েছে।

উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্রের ঘটনায় গ্রেপ্তার জিসানের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় এফআইআর নং-৪৫, তারিখ ২৯ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, জিআর নং-৩৬৯, দ্য আর্মস অ্যাক্ট, ১৮৭৮-এর ১৯(এ) ধারায় মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

অপরাধ দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চকরিয়া থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.