ফটিকছড়ি, মিরসরাই ও বোয়ালখালী উপজেলায় বজ্রপাতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (৬ জুন) বিভিন্ন সময়ে তিন উপজেলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার যোগেন্দ্র শীলের স্ত্রী ভানুমতি শীল (৪০) ও বাণেশ্বর দাশের স্ত্রী লাকি রানি দাশ (৩৮), মিরসরাইয়ের সাজ্জাদ হোসেন (১৬) এবং বোয়ালখালীর মো.জাহাঙ্গীর (৩৯)।
ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আফসার উদ্দিন বলেন, ছমুরহাট বাজার এলাকায় জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে চারজন হতাহতের ঘটনা ঘটে। তাদের উদ্ধার করে ফটিকছড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে সকাল ১০টার দিকে মিরসরাইয়ের সাহেরখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর পূর্ব ডোমখালী ওয়ার্ড এলাকায় বাবার সঙ্গে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মৃত্যু হয় শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন (১৬) এর। এসময় আহত হয় তার বাবা মো. মোশারফ হোসেন। সাজ্জাদ স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র।
ইউপি সদস্য আইয়ুব আলম বলেন, বাবার সঙ্গে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ছেলের মৃত্যু হয়, গুরুতর আহত হয় বাবা। বাবাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া বোয়ালখালীতে বজ্রপাতে মো.জাহাঙ্গীর (৩৯) নামের দিনমজুরের মৃত্যু হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার জ্যৈষ্ঠপুরা পাহাড়ের গরজংগিয়া এলাকায় লেবু বাগানে কাজ করার সময় এ ঘটনা ঘটে। দুপুর দুইটার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জাহাঙ্গীর শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের জ্যৈষ্ঠপুরা গ্রামের মোস্তফা কামালের ছেলে।
শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মোকারম বলেন, জাহাঙ্গীরের বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও দুই মেয়ে রয়েছে। পরিবারে সে একমাত্র উপার্জনক্ষম ছিল।