মিরসরাইয়ে দুই কোরবানির গরুসহ পুড়ল চার বাড়ি

মিরসরাইয়ে আগুনে চারটি বসতঘর ও কোরবানির দুটি গরু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সোমবার রাত ৩টার দিকে উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ওয়াহেদপুর গ্রামের রেললাইনের পাশ্ববর্তী জাকিরের বাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন— মো. রুহুল আমিন, জাকির হোসেন, কামাল উদ্দিন ও মো. সোহাগ। অগ্নিকান্ডে বসতঘর, কোরবানির জন্য বিক্রি করা দুটি গরু, তিনটি গরু বিক্রির নগদ দুই লাখ টাকা, আসবাবপত্র সহ মূল্যবান কাগজপত্র পুড়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে চুলার আগুন থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে।

এলাকার বাসিন্দা মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, সোমবার দিবাগত রাতে জাকিরের বাড়িতে অগ্নিকান্ডে ঘটনা ঘটেছে। আগুনের লেলিহান শিখায় একে একে ৪টি বসতঘর পুড়ে গেছে। পুড়ে গেছে দরিদ্র কৃষক রুহুল আমিনের কোরবানির জন্য বিক্রি করা দুটি গরু ও তিনটি গরু বিক্রির নগদ ২ লাখ টাকা।

তিনি আরো বলেন, রুহুল আমিন বর্গা নিয়ে কোরবানির জন্য ৩টি গরু মোটাতাজা করেছেন এবং সেগুলো ক্রেতার কাছে বিক্রিও করেছেন। ১টি গরু ক্রেতা নিয়ে গেছে, অন্যদুটি গরু আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। গরু বিক্রির ২লাখ টাকাও তাঁর কাছে ছিল সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এমনিতে পরিবার চারটি খুবই দরিদ্র তাঁর উপর আগুনে সব শেষ হয়ে যাওয়ায় এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।

ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল কবির ফিরোজ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গেছি। ক্ষতিগ্রস্থদের তাৎক্ষনিক ৩০ কেজি চাউল, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যদি, শাড়ি, লুঙ্গি দিয়ে দিয়েছি এবং আরো সহযোগিতা করবো ইনশাআল্লাহ।

মিরসরাই ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ষ্টেশন কর্মকর্তা ইমাম হোসেন পাটোয়ারি বলেন, খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গেছি। আমরা গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়েছি। অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর, দুটি গরু ও নগদ দুই লাখ টাকা পুড়ে গেছে বলে জানান তিনি।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.