কক্সবাজার প্রতিনিধি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উস্কানি ছড়ানোর প্রতিবাদে কক্সবাজারের টেকনাফে গভীর রাতে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল মোস্তফার বিরুদ্ধে মিছিল করেছে এলাকাবাসী।
গত ৮ এপ্রিল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘটিত ঘটনায় উসকানি, মসজিদ ভাংচুর এবং হামলার পর শনিবার (৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পাহাড়পাড়ায় এ মিছিল বের করা হয়েছে। মিছিলে পুরুষের সাথে অনেক নারীও অংশ নিয়েছে। এসময় অনেকের হাতে ঝাড়ুও দেখা হয়েছে।
প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, শুক্রবার (৮ এপ্রিল) বিকালে একটি বাদানুবাদকে কেন্দ্র করে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল মোস্তফা মাইকে ঘোষণা দিয়ে মানুষ বের করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধায়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়। এসময় মাইকে ঘোষণা দিতে বাধা দেয়ায় মসজিদ ভাংচুর করা হয়েছে।
তারা আরো জানায়, শুক্রবারের ঘটনা শান্ত হলেও এরপর থেকে ফেসবুকে নানা ধরনের উস্কানিমূলক পোস্ট দিচ্ছে নূরুল মোস্তফা। একই সাথে বিভিন্নভাবে প্রতিপক্ষের লোকজনকে উস্কানি দিয়ে আসছে। এতে তার প্রতিপক্ষের লোকজন উত্তেজিত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে গভীর রাতে সবাই বাড়ি থেকে বের হয়ে নূরুল মোস্তফার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল বের করে। মিছিলটি এলাকার বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে। এসময় লোকজনও বিভিন্ন উস্কানিমূলক শ্লোগান দেয়।
তবে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধেও একইভাবে উস্কানির অভিযোগ করেছেন নূরুল মোস্তফা। এ বিষয়ে হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী বলেন, শুক্রবারের ঘটনার পর উভয় পক্ষের লোকজন ফেসবুকসহ নানাভাবে উস্কানিমূলক কথা বলে আসছে। আমি সারাদিন উভয়পক্ষের লোকজনদের উস্কানি দিতে নিষেধ করি। কিন্তু কেউ শুনেনি। এক পর্যায়ে রাতে মিছিল করেছে একটি পক্ষ।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, মিছিলের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তপ্ত জনতাকে শান্ত করে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্য মিছিলকারীদের সরিয়ে দেয়া হয়।