বাঁশখালী প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সকাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরল ইউনিয়নে ১নম্বর ওয়ার্ডে আল মাদরাসাতুল ইসলামিয়া আনোয়ারুল উলুম বালক-বালিকা মাদরাসায় ভোটগ্রহণের আগে থেকে নৌকার প্রার্থী রশিদ আহমদ চৌধুরীর এজেন্ট ছাড়া অন্য প্রার্থীর এজেন্ট কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে খোদ প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে। সরল ২নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শ নুরানী এবতেদায়ী মাদরাসা ও হেফজখানা, সরল বাইতুল হামিদ তালীমুল কুরআন মাদ্রাসা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, নৌকার প্রার্থী রশিদ আহমদ চৌধুরী নিজেই অন্য প্রার্থীর এজেন্টদের পিটিয়ে বের করে দিচ্ছেন। অপরদিকে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মিনজিরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সদস্য প্রার্থীদের ভোটগ্রহণ চললেও ভোটারদের চেয়ারম্যান প্রার্থীকে ভোট দেওয়া থেকে বিরত রাখছেন নৌকার সমর্থকরা। এ বিষয়ে স্বতন্ত্র লেয়াকত আলী বলেন, ‘সরলের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডে আমার এজেন্টদের বের করে দিয়েছে। প্রিজাইডিং অফিসারকে এ বিষয়ে বললে দেখতেছি দেখতেছি বলে ফোন কেটে দিচ্ছে। প্রশাসনের কেউ আমাদের কথা শুনছে না। প্রশাসন এদের। কেন্দ্রে লাঠিয়াল বাহিনী থাকার বিষয়টি প্রশাসনকে অবগত করা হলেও ব্যবস্থা নেয়নি। এখনো নৌকার প্রার্থীর এজেন্ট ছাড়া অন্য কোনও প্রার্থীর এজেন্ট ঢুকতে দেয়নি। তিনি আরো বলেন, শুধু মাত্র নৌকার ভোট নিয়ে বাকি মেম্বারদের ভোট দিতে দিচ্ছে। এ যেন প্রকাশ্যে ভোট ডাকাতি। এ বিষয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাউদ্দীন কাদের মানিক বলেন, সরল ১, ২, ও ৩ নং ওয়ার্ডে নৌকা ছাড়া অন্য প্রার্থীদের সকল এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়োছে। এ বিষয়ে জানার জন্য ১ নম্বর ওয়ার্ডের আল মাদরাসাতুল ইসলামিয়া আনোয়ারুল উলুম বালক-বালিকা মাদারাসা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার শাকিফ ইসমাম চৌধুরীকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সরলে দায়িত্বে থাকা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অতিশ দর্শী চাকমাকে বেশ কয়েক বার ফোন দিয়েও কোন সাড়া পাওয়া যায় নি। উল্লেখ্য, বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী রশিদ আহমদ চৌধুরী স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর চাচা।