বাঁশখালী প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে স্ত্রী প্রতারণা করে দুবাই প্রবাসী স্বামীর প্রায় ১০-১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। পাশাপাশি স্ত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন হুমকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গন্ডামারা ইউপির পূর্ব বড়ঘোনা গ্রামে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালে ৫ ফেব্রুয়ারী পূর্ব বড়ঘোনা ৮ নং ওয়ার্ডের মৃত মৌলানা আমিনুল হকের পুত্র মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন এর সাথে তার আপন মামা একই ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মরহুম মৌলানা ছলিম উদ্দীন সিকদারের কন্যা নারগিস আক্তার আরজুর সহিত ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক পারিবারিক ভাবে বিবাব বন্ধনে আবদ্ধ হন। কিছুদিন সংসার করার পর স্ত্রীকে দেশে রেখে ফের দুবাই চলে যান সাজ্জাদ । দীর্ঘদিন পর তাদের দাম্পত্য জীবনে এক কন্যা সন্তান আসে। সন্তান জন্মের পর তাদের সংসার ভালোভাবেই চলছিল। পরবর্তীতে কন্যা সন্তান টি মারা যাওয়ার পর থেকে বেশ কিছু সংসার ভালো ই চলছিল। পরবর্তীতে দুবাই থাকা অবস্থা তার অর্জিত সমস্ত টাকা পয়সা মামা শাশুর ও স্ত্রীর ভাইয়ের মধ্যেমে স্ত্রীর নিকট গচ্ছিত রাখেন। পরবর্তীতে দেশে ফিরে স্ত্রীর নিকট টাকা পয়সার হিসাব চাইলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনমালিন্য শুরু হয়। স্ত্রী নারগিস আক্তার বিভিন্ন ছলচাতুরি শুরু করে শাশুর বাড়ি সঙ্গে। অপরদিকে বিভিন্ন অজুহাতে স্বামী সাজ্জাদ এর কাছ থেকে বিভিন্ন সময় ৮ ভরি স্বর্ণালংকার, মোবাইল নগদ লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় স্ত্রী নারগিস আক্তার । এরপর সাজ্জাদ হোছাইনের ভাই ও আত্মীয় স্বজনকে বেশ কিন্তু দিন যাবৎ বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে নারগিস আক্তার, তার ভাই তারেকুল ইসলাম ও আনছারুল হক প্রঃ নুরুল আবচার। স্ত্রীর এমন ঘটনা দেখে দিশেহারা স্বামী সাজ্জাদ হোছাইন। এদিকে সর্বস্বান্ত দিশেহারা প্রবাসী সাজ্জাদ গত ৯ সেপ্টেম্বর ২২ ইং বাদী হয়ে স্ত্রী নারগিস আক্তার সহ ৩ জনকে আসামি করে বাঁশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। এ বিষয়ে মামলার বাদী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, নারগিস আক্তার তার ভাই ও মামার কু পরামর্শে নানা ছলচাতুরির আশ্রয় নিয়ে আমার পুরো পরিবারটা সর্বস্বান্ত করে ফেলেছে। আমার জিবনে অর্জিত সমস্ত টাকা পয়সা, স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নিয়ে আমার সর্বস্বান্ত করেছে। এমনকি আমাদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা করার হুমকি ধমকি দিচ্ছে। সে তার অপকর্ম ঢাকার জন্য এ মামলার পথ বেছে নিয়েছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত তারেকুল ইসলাম এর সাথে মুঠোফোনে বেশ কয়েক যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায় নি।