আল হায়াত হসপিটালে বিনিয়োগ করেও প্রতারণার শিকার প্রবাসী কায়সার

বুক ভরা হতাশা নিয়ে এই যুবক পোষ্ট দিয়েছেন ফেসবুকে-

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম 

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেরানী হাটের বিতর্কিত হাসপাতাল আল হায়াত প্রা:লি: এর বিরুদ্ধে ওঠে আসছে একের পর এক অভিনব জালিয়াতির গল্প।

যেই গল্পের নিত্য নতুন কলাকৌশল বের হলেও শেষ দেখা যাচ্ছেনা আদৌ হাসপাতালটি কার বা কাদের নিয়ন্ত্রণে সেটা! ভয়াবহ জালিয়াতি ও বুক ভরা হতাশা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মাঝে দেখা যাচ্ছে চরম বিষন্নতা।

হাসপাতালটিতে শেষ সম্বল বিনিয়োগ করে আশায় স্বপ্ন বুনে যারা কিনেছিল মালিকানা, আজ তারাই পথের ফকির। অপরদিকে আবু জাফর গং নামে-মাত্র অল্প টাকা দিয়ে মালিকানা গ্রহণ করে সেই-ই হয়ে যাচ্ছে মূল মালিক।

কেরানী হাটের স্থানীয় ব্যক্তি জসিম বলেন, আসলেই কি প্রবাসীদের বিনিয়োগ নিয়ে পালাতে চাচ্ছে  কেরানীহাটের আল হায়াত হসপিটাল কর্তৃপক্ষ? এমন প্রশ্ন এখন আমার নয় পুরো সাতকানিয়াবাসীর।

 

এমন দৃশ্যের প্রেক্ষিতে হাসপাতালটিতে বিনিয়োগ করা এক প্রবাসী হাসান আজ ৪জুন (শনিবার) তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন  -আমি ইমতিয়াজ সোলতান কায়সার, আমি একজন প্রবাসী বাংলাদেশি, আমার রক্ত ঘাম করা উপার্জিত টাকা দিয়ে আল হায়াত হাসপাতালের একটি ডিরেক্টর শেয়ার ক্রয় করি, কিন্তুু দুঃখের বিষয় আজ পর্যন্ত আমি ডিরেক্টর হিসাবে কোনো সন্মান পাইনি এবং আমার দেওয়া ১২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে আমাকে কোনো কাগজপত্র ও দেওয়া হয়নি, হাসপাতালের বর্তমান এমডি ডা জাহেদ হোসেন আমার বন্ধু হওয়া স্বত্বে ও তাকে অনেকবার বলার পর ও সে আমাকে কোনো রকম ডকুমেন্ট দেয়নি বরং সে যারা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে তাদের মতো আমাকে ও ডকুমেন্ট না দেওয়ার পায়ঁতারা করছে, আমি প্রবাসী হিসাবে এতটুকু বলবো আমাদের এই নায্য অধিকার যদি আমাদের ফিরিয়ে না দেওয়া হয় আমি সবার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্হা গ্রহন করবো, এবং সকল প্রবাসীদের ও সাবধান করে দিতে চায় আপনার কেউ এইধরনের শেয়ার ব্যবসায় জড়িত হবেনা দয়া করে আমরা অনেক কষ্ট করে টাকা ইনকাম করি।

অপরদিকে তার পোষ্ট শেয়ার করে কেরানী হাট আল হায়াত হাসপাতালের এমডি ডাক্তার জাহেদ তার নিজস্ব ভেরিফাইড ফেসবুকে লিখেছেন – আমার বন্ধু কাইছার।

আমার কাছে আসছিল।আমি তাকে তখনো ও বলেছি এখনো পাবলিকলি বলতেছি। সে তার ডাইরেক্টরে কাগজ বাকি ডাইরেক্টরদের সাথে পাবে। আমার বন্ধু বলে, আলাধা করে সবার আগে তাকে দিতে হবে এমন পারবো না।
আল হায়াত ইসুতে আমার কাছে সবাই সমান।
আমার পরিবার , বন্ধু পরিচয়ে বিশেষ সুবিধা সম্ভব নয়।অন্য ১০ জন যখন পাবে সেও তখন পাবে।এটা ম্যানেজমেন্ট এর সবার সাথে সিদ্ধান্ত নিয়েই করতে হবে। ইতিমধ্যে সব কাজ চলমান।
আমি এমডি হলেও সব সিদ্ধান্ত ইসি সদস্যদের মতামতেই নেয়া হয়।সবার জানার জন্য বলা।

শেয়ার হোল্ডার দের ডকুমেন্ট দেয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। এরপর ডাইরেক্টর দের ডকুমেন্ট দিবে।

বিতর্কিত কিছু সদস্যদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত ম্যানেজমেন্ট নিবে। তাও, সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য যে সিদ্ধান্ত নিবে তাই হবে। এখানে স্বেচ্ছাচারিতার কোন সুযোগ নাই।আল হায়াত হসপিটাল এর সব শেয়ার হোল্ডার এবং ডাইরেক্ট দের ১ টা টাকাও আমরা যতদিন বেঁচে আছি কেউ নয় ছয় করতে পারবে না।ইনশাআল্লাহ। শুধু শুধু যড়যন্ত্র করে সফল হওয়া যাবে না।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.