কেরানী হাট আল হায়াত হসপিটাল: ও.টি রিয়াজের বউয়ের দিকেও নজর ডাক্তারের
এমন চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি স্বয়ং রিয়াজের স্ত্রীর-
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
কেরানী হাট আল হায়াত হসপিটালের ও. টি রিয়াজের বউয়ের দিকেও নজর অভিযুক্ত ওই ডাক্তারের। চট্টগ্রামের কেরানী হাট আল হায়াত হাসপাতালের বর্তমান ও টি সহকারী রিয়াজের সাবেক স্ত্রী সিক্তু প্রতিবেদককে কান্নাজড়িত কন্ঠে স্বামী রিয়াজ ও কেরানী হাট আল হায়াত হাসপাতালের দায়িত্বরত ওই ডাক্তারের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করে ভিডিও ও অডিও বার্তা প্রদান করেন।
জানা যায়, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ঢেমশার চৌধুরী হাট এলাকার এক গরীব রিকশা চালকের মেয়ে সিক্তু।
সিক্তু একসময় কেরানী হাট আশশেফা হাসপাতালে চাকুরী করতেন ওখান থেকেই রিয়াজের সাথে সম্পর্ক হয়ে বিয়ে করেন।
সিক্তু আর রিয়াজের দীর্ঘ সংসারে ৬/৭বছরের ২টি পুত্র কন্যা সন্তান ও আছে।
সিক্তুর অভিযোগ মতে জানা যায়, আল হায়াত হসপিটালের বর্তমানে দায়িত্বরত এক ডাক্তারের বন্ধু হচ্ছে এই রিয়াজ। এই রিয়াজ কর্মচারী হলেও ডাক্তারের সাথে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাঘুরি করার একাধিক ছবি এই প্রতিবেদককে দিয়েছেন রিয়াজের স্ত্রী সিক্তু।
রিয়াজকে নিয়ে ওই ডাক্তার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে গিয়ে রাত্রী যাপন করেছেন বলেও জানিয়েছেন রিয়াজের স্ত্রী সিক্তু।
ফলে ওই ডাক্তারের সাথে নিজ স্বামীকে চলাচলে বাধা প্রদান করলে ডাক্তারের প্ররোচনায় ২০২৫সালে ওই ডাক্তারের চেম্বারে এনে কৌশলে একটি বাচ্চা গর্ভপাত করারন রিয়াজ আর আল হায়াত হসপিটালের বর্তমানে দায়িত্বরত ওই ডাক্তার।
গর্ভপাত করা ওই ডাক্তারের দেয়া কিছু ওষুধের ডকুমেন্টসও এই প্রতিবেদককে দিয়েছেন রিয়াজের স্ত্রী সিক্তু।
গর্ভপাতের পর ওই ডাক্তার সিক্তুকে তার চেম্বারে ডেকে বলা হয় সিক্তু তুমার সাথে বার বার রিয়াজের ঝামেলা হচ্ছে তুমি আপাতত বাপের বাড়ি চলে যাও আমি রিয়াজকে বুঝিয়ে সব ঠিক করে দিব।
সহজসরল রিয়াজের স্ত্রী সিক্তু বাপের বাড়ি আসলেই রিয়াজ পাঠাই ডিভোর্স লেটার।
পরে ওই ডাক্তার নিজেই কেরানী হাটের একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে সিক্তুর কাবিনের টাকা পরিশোধ করেন বলে রিয়াজের সাবেক স্ত্রী সিক্তু প্রতিবেদককে লিখিত একটি কাগজে সাক্ষর করে এবং ভিডিও ও অডিও বক্তব্য দিয়ে নিশ্চিত করেছেন।
সিক্তু বলেন আমাকে আল হায়াত হসপিটালের বর্তমান ওই ডাক্তার নিজেই ডিভোর্স করায়ছেন কারণ ওই ডাক্তার রিয়াজের বর্তমান স্ত্রীর সাথে পরকীয়া বহুদিন ধরেই।
বান্দরবানসহ কক্সবাজারে একাধিক হোটেলে ওরা ২জন একসাথে রাত্রিযাপন করেছেন।
পরে আমি বাঁধা হয়ে দাড়াঁলে ওই ডাক্তার আমাকেই সরিয়ে দেয়।
তিনি আরো বলেন, আমার বাড়ি ঢেমশা চৌধুরী হাটে আমার বাবা রিকশা চালায়।
আমার তালাক হয়ে যাওয়ার পর আমি গরীব বিধায় ব্যবস্থা নিতে পারেনি।এখন আমি রিয়াজের ২টা বাচ্চা নিয়ে খুব কষ্টে আছি।
আমি ওই ডাক্তারের বিষয়ে আর আমার সাবেক স্বামীর রিয়াজের বিষয়ে এই জুলাই মাসের ২০তারিখের নাগাদ চট্টগ্রাম কোর্টে জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানোর বিষয়ে মামলা করার জন্য কাগজপত্র রেডি করছি।আমার তালাক হলেও আমার কাছে তার ২টি বাচ্চা আছে।ওগুলোর ভরণপোষণও দিচ্ছেনা। সিক্তু নিজেই একটি ভিডিওতে সরাসরি তার চেহারা দেখিয়ে আল হায়াতের ওই ডাক্তারের নাম ধরে প্রতিবেদককে বলেন, রিয়াজ যদি আমাকে আল হায়াত হসপিটালের ওই ডাক্তারের বিছানায় দিয়ে আসতে পারত তাহলেই রিয়াজ আমার সাথে সংসার করতো আর কি।
বি:দ্র: কেরানী হাট আল হায়াত হাসপাতালের দায়িত্বরত ওই ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা কিংবা কোন অভিযোগে লিখিত নাম না আসার কারণে চট্টগ্রাম সংবাদ গণমাধ্যমের নীতিমালা অনুযায়ী নাম প পদবী গোপন করেছেন।