নিষিদ্ধ যুবলীগনেতা মোজাম্মেল চৌধুরীর তৎপরতায় সক্রিয় পশ্চিম সাতকানিয়ার যুবলীগ

প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে সংগঠন চালাচ্ছে তিনি-

রুকন উদদীন রুবেল, সাতকানিয়া প্রতিনিধি 
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার পশ্চিম সাতকানিয়ায় নিষিদ্ধ যুবলীগের অর্থদাতা হিসেবে নাম ওঠে এসেছে এমপি নদভীর ডান হাত খ্যাত মোজাম্মেল চৌধুরীর নাম।
মোজাম্মেল চৌধুরী সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের পাহাড়তলী আলীনগরের কিশোর চৌধুরী এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই এলাকার বাসিন্দা সাবেক এমপি আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদদীন নদভীর হাত ধরেই মূলত যুবলীগ নেতা মোজাম্মেলের উত্থান।
নদভীর হাত ধরে প্রবাস জীবন থেকেই পুরো পশ্চিম সাতকানিয়ার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতো।
২৪সালের ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ভাটা পড়ে পশ্চিম সাতকানিয়া এলাকায় নদভীর বিশাল  সাম্রাজ্যে।
ফলে এই সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অদৃশ্য ভাবে এই মোজাম্মেলের হাতে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, নদভীর একটি বিশাল নিজস্ব গ্রুপকে প্রবাস থেকে মোটা অংকের টাকা অর্থায়ন করে রাজনীতিকে সক্রিয় রাখতে মরিয়া এই মোজাম্মেল।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠনকে  নিয়মিত অর্থায়ন করলেও কোন এক অদৃশ্য ইশারায় মোজাম্মেলের নাম নেই গোয়েন্দা সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের নথিতে।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে  সরকারদলীয় সমর্থক কয়েকজন  নেতাকর্মী এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, পশ্চিম সাতকানিয়ার কিশোর চৌধুরী এলাকার মোজাম্মেলকে আইনের আওতায় আনতে না পারলে সরকার বিরোধী একটি গ্রুপ শক্তি সঞ্চার করতে পারে।তাই আমরা প্রশাসনকে অনুরোধ জানাবো এই মোজাম্মেলকে গ্রেপ্তার করে প্রকৃত রহস্য উন্মোচন করা হোক।
এদিকে সাবেক এমপি নদভীর সাথে যে এই মোজাম্মেলের গভীর সম্পর্ক তার সমর্থন একাধিক ছবিও ফুটেজ এই প্রতিবেদকের সেরেস্তায় জমা আছে।
এদিকে মোজাম্মেলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু নজির আহমদ নামে এক ব্যক্তি প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, মুরাদপুরের ছাত্রজনতার আন্দোলনের সময় এই মোজাম্মেলের অংশগ্রহণ রয়েছে।ফলে নগরীর একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশ প্রশাানের চাপের মুখে রয়েছে। চট্টগ্রাম নগরীর বাসায় মোজাম্মেল এখন প্রশাসনের ভয়ে থাকতে পারেননা বলে নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.