একটি হত্যা মামলা থেকে আরেকটি হত্যা

একটি হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছিলেন লায়লা বেগমের স্বামী কবির আহম্মেদ (৬৫) ও ছেলে ওমর ফারুক (৩১)। এ জন্য প্রাণ দিতে হয় তাকে। চট্টগ্রামের এ চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামি ইরানকে গত সোমবার রাতে মিরসরাই থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে র‌্যাব চান্দগাঁও ক্যাম্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ১১ এপ্রিল ইপিজেড থানার ২নং মাইলের মাথা এলাকায় এরশাদ নামে একজনকে ছুরিকাঘাত করে তিন ভাই মো. আরমান, ইরান ও ইমতিয়াজ। পর দিন চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এরশাদ। এ ঘটনায় ১২ এপ্রিল বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলার দায়ের করা হয়। হত্যা মামলায় ইরানসহ অন্য আসামিরা বিভিন্ন মেয়াদে জেল খেটে জামিনে বের হয়ে সাক্ষ্য না দিতে সাক্ষীদের হুমকি দেওয়া শুরু করে।

তিনি বলেন, তাদের এ হুমকি উপেক্ষা করে এরশাদ হত্যা মামলায় লায়লা বেগমের স্বামী কবির আহম্মেদ ও ছেলে ওমর ফারুক আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন। এ ঘটনার প্রতিশোধ নিতে আসামিরা কবির আহম্মেদের বাড়িতে হামলা করে। এতে লায়লা বেগম ও ফারুক গুরুতর আহত হন। পরে ৬ জানুয়ারি লায়লা বেগম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এম এ ইউসুফ বলেন, ঘটনার পর থেকে আসামি ইরান পলাতক ছিলেন। প্রযুক্তির ব্যবহার ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে অভিযান পরিচালনা করে জোরারগঞ্জ থানার ইছাখালী এলাকা থেকে ইরানকে গ্রেফতার করা হয়। ইরান হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন থানায় ২টি হত্যাসহ মোট ৪টি মামলা রয়েছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.