বাকলিয়ার ক্ষেতচর বাস্তহারার লোক দিশেহারা সাবমিটারের টাকা যোগাড়ে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক –

 

চট্টগ্রাম বাকলিয়া  বাস্তুহারা -ক্ষেতচর ৭০০-৮০০ পরিবারের মাঝে সাবমিটার  লাগানোর নামে এক থেকে দেড় কোটি টাকার বানিজ্যের অভিযোগ ওঠেছে বাস্তহারা-ক্ষেতচরের বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং কতিপয় পিডিবির অসাধু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয় ও বিভিন্নসুত্রে জানাযায়-চট্টগ্রাম মহানগরের আওতাধীন ৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড বাকলিয়ায় অবস্থিত বাস্তুহারা-ক্ষেতচরে দীর্ঘকাল যাবত বিদ্যুৎ নিয়ে মানুষের দুর্ভোগের শেষ নাই। আর এই দূর্ভোগকে পুঁজি বানিয়েই চলে একটি চক্র।

অনুসন্ধানে জানাযায়-দীর্ঘ ১০ বছর যাবত স্থানীয় এক কিশোর গ্যাং লিডার ও পিডিবির কিছু অসাধু অফিসারের সমন্বয়ে অবৈধ ভাবে কোটি -কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অসহায়  বস্তিবাসীদের থেকে।

 

এখন আবার নতুন ভাবে সদ্য-নির্বাচিত বাস্তুহারা সমবায় সমিতির সভাপতি উত্তম কুমার শীল এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ সালাউদ্দিনের সমন্বয়ে ৭০০ টাকার মিটার প্রায় ১৭,৫০০ টাকা করে ৭০০-৮০০ পরিবার থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার পায়তারা চলছে যেখানে গত ২-৩ দিনে প্রায় ১০০-২০০ পরিবার থেকে ৩৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে বিভিন্নসুত্র নিশ্চিত করেন।

এদিকে বাকলিয়া ক্ষেতচর- বাস্তহারার সাবেক সভাপতি শামসুদদীন বলেন-আমি গত ১৭/১০/২০২০ তারিখে -মাননীয় মন্ত্রী নওফেল সাহেবের সুপারিশে পিডিবি থেকে মিটারের ব্যবস্থা করি কারণ কর্তৃপক্ষ আমাদের জায়গা গুলি খাস তাই মিটার দিচ্ছিলনা।

সেই মন্ত্রী মহোদয়ের সুপারিশের ফলে আজকে বাস্তহারা পল্লী বিদ্যুতায়ন কিন্তু এই বিদ্যুতায়নকে পুঁজি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বাস্তহারার বর্তমান কমিটির সভাপতি-উত্তম কুমারশীল ও সাধারণ সম্পাদক মো-সালাউদদীন ও তাদের সাথে পিডিবির কয়েকজন কর্তার যোগসাজশে ৭০০টাকার মিটার ১৭০০০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে বলে জানান।

এদিকে  ক্ষেতচর বাস্তহারার মিটার নিতে আসা এক ভুক্তভোগী গোপাল বাবু বলেন-খুটিঁ থেকে লাইন টেনে দেয়ার চার্জ, আবার লাইন চার্জ, বড় তার ছোট তার মিটার কেনা সব মিলিয়ে আমার ১৫০০০টাকার মত খরচ হয়েছে।

এদিকে এলাকার স্থানীয়রা জানান-মন্ত্রী মহোদয়ের সুপারিশের পরেও আমাদের থেকে যে এতটাকা দিতে হচ্ছে আমাদের জন্য এটা অনেকটা চাপের বোঝা।অথচ!আমাদের দেয়া টাকা গুলির কোন রশিদও দেয়া হচ্ছেনা।

এদিকে বাকলিয়া ক্ষেতচর বাস্তহারার বর্তমান সভাপতি-উত্তম কুমার শীল বলেন-আমরা যারা ৪লাখ টাকা দিয়ে মূলত বিদ্যুত আনছি, তারাই প্রতি বাড়ির সাবমিটার থেকে ১০,০০০টাকার মত নিচ্ছি এর বেশী না।

আর এসবের রশিদ লাগেনা এর পরেও আপনি যদি কিছু জানতে চান আমাদের অফিসে আসেন, বিস্তারিত দেখেন-আপনিও ২লাখ টাকা খেতে পারবেন যদি আমাদের কারেন্ট বিল প্রতি ইউনিট ১৬টাকা থেকে কমায়তে পারেন,আপনার থাকবে ২লাখ আর আমাদেরও লাভ হবে।

বাস্তহারার বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক সালাউদদীন বলেন,আমাদের যে অনুপাতে টাকা খরচ হলো সবার থেকে সেই অনুপাতে টাকা নেয়া হচ্ছে এখানে কোন দূ্র্নীতি নেই।

দরকার হলে আপনি নিজেই একবার পরিদর্শনে আসেন আমরা সব মিলিয়ে ১০হাজার টাকা করে নিচ্ছি।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.