চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপিএল জার্নি শেষ, ফাইনালে কুমিল্লা

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরের ফাইনালে কুমিল্লা নাকি চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স যাবে— এমন সমীকরণের সমাপ্তি হয়েছে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেল কুমিল্লা। আর ফাইনালে (শুক্রবার) সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন বরিশালের মুখোমুখি হবে ইমরুল কায়েসের দল কুমিল্লা।

আজ বুধবার মিরপুরে চট্টগ্রামের বিপক্ষে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের বাঁচা-মরার লড়াইয়ের ম্যাচে সুনিল নারিনের রেকর্ড গড়া ম্যাচে ৪৩ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে কুমিল্লা। এদিন মাত্র ১৩ বলে ফিফটির রেকর্ড গড়েন নারিন। এর আগে বিপিএলে ১৬ বলে ফিফটির রেকর্ড গড়েছিলেন পাকিস্তানের তারকা ওপেনার আহমেদ শেহজাদ।

চট্টগ্রামের বিপক্ষে মাত্র ১৪৯ রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ব্যাটিং তাণ্ডব চালান নারিন। প্রথম ওভারে শরিফুলের করা শেষ তিন বলে দুই চার আর এক ছক্কায় ২০ রান আদায় করে নেন নারিন। অবশ্য ওভারের প্রথম বলেই ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন ওপেনার লিটন দাস।

দ্বিতীয় ওভারে মেহেদি হাসান মিরাজের করা ওভারে তিন ছক্কা আর এক চারে ২৩ রান আদায় করে নেন নারিন। ২ ওভার শেষে কুমিল্লার সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪৩ রান।  নারিনের সংগ্রহ ৯ বলে ৩৬ রান।

তৃতীয় ও চতুর্থ ওভারে স্ট্রাইক পাননি নারিন। এই দুই ওভার খেলেন অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। দুই ওভারে তিনি ১৫ রান স্কোর বোর্ডে যোগ করেন।

আফিফ আহমেদের করা পঞ্চম ওভারের প্রথম তিন বলে চার, ছক্কা আর সিঙ্গেল নিয়ে ১২ বলে ৪৭ রানে পৌঁছে যান নারিন। ষষ্ঠ ওভারে পেসার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর করা ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে ১৩ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন নারিন।

ফিফটির পরের বলে ডট দেন নারিন।  ঠিক পরের বলে হাঁকান চার। চতুর্থ বলে আউট হন নারিন। তার আগে ১৬ বলে ৫টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৫৭ রান করে ফেরেন নারিন। তিনি যখন সাজঘরে ফেরেন তখন ৫.৪ ওভারে কুমিল্লার সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ৭৯ রান।

এরপর ফাফ ডু প্লেসি ও মঈন আলীর ব্যাটে ভর করে অনায়াসেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা। ২৪ বলে ২২ রান করে ফেরেন ইমরুল কায়েস। মাত্র ১৩ বল মোকাবেলা করে তিন চার ও দুই ছক্কায় ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন মঈন আলী। ২৩ বলে ৩০ রান করেন ফাফ ডু প্লেসি।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.