মহেশখালীতে নাগরিক কমিটির গণসংবর্ধনা

মহেশখালী প্রতিনিধি:

মহেশখালী পৌর নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করা আওয়ামীলীগের দলীয় নেতা কর্মী ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতা আমজাদ হোসেনের করা মামলায় দীর্ঘ দেড় মাস কারাবরণ করে জামিনে মুক্তি পাওয়া ৭জনকে মহেশখালী পৌরসভা নাগরিক কমিটির পক্ষ হতে বিশাল গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

৪ মার্চ শুক্রবার বিকাল ৪ টায় মহেশখালী পৌরসভাস্থ গোরকঘাটা বাজারের চৌরাস্তা মোড়ে এই বিশাল গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে মহেশখালী পৌরসভা ৫নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আজিজুল হক বলেন, বিএনপি ক্যাডার আমজাদ হোসেন পৌরসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়ে জামাত-বিএনপির চক্রান্তে পুরো মহেশখালী পৌর আওয়ামী লীগ পরিবারসহ নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করা বহু লোক কে আসামি করে মামলা দায়ের করে শান্ত পৌরসভা কে অশান্তির রাজ্যে পরিণত করেছে। এটা পৌর আওয়ামীলীগ কে ধ্বংস করার এক মহা চক্রান্ত বলে আমরা মনে করি।

গোরকঘাটা উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ আশরাফ বলেন, বিএনপি নেতা আমজাদ হোসেনকে রাতের আধারে জামাত অধ্যুষিত এলাকা লিডারশীপ কলেজের সামনে কে বা কারা হামলা করেছে কেউ দেখেনি, ঘটনার পরপরই যুদ্ধাপরাধী মাওলানা ওসমানের ভাগিনা ডাক্তার হাশেমের ছেলে মালয়েশিয়া থেকে লাইভে বক্তব্য করা, জামাত শিবিরের নেতাদের তা শেয়ার করা, জামাত-বিএনপি’র পূর্ব পরিকল্পিত হামলা বলে ধারণা করা হচ্ছে৷

শুধু তাই নয় এর পুর্বে কুতুবজোম ইউনিয়নে মাছের প্রজেক্ট দখল করতে গিয়ে গণধোলাইয়ে আহত হয়ে বহু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কে আসামি করে মামলা দায়ের করে পৌর আওয়ামীলীগ কে ধ্বংস করার চক্রান্ত করে এই আমজাদ হোসেন। আমরা এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান থেকে তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি সাথে সাথে প্রশাসনকে সঠিক তদন্ত করে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। সভাপতির বক্তব্যে মহেশখালী পৌরসভা ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মুহাম্মদ উল্লাহ বলেন, আমরা জানি আমজাদ হোসেনের পুরো পরিবারই সরকার বিরোধী৷

আমজাদ হোসেনের বড়ভাই মাওলানা ওসমান যুদ্ধাপরাধ মামলায় কারাবরণ করে বর্তমানে জামিনে রয়েছে, তার আপন মামা বাদশা মিয়া সাবেক মেম্বার যুদ্ধাপরাধ মামলায় কারাগারে রয়েছে, একভাই জামাল হোসেন জামায়াত নেতা, আমজাদ হোসেন নিজে একজন বিএনপি নেতা। তার এইসব মামলা মুক্তিযোদ্ধার নামে জামায়াত শিবিরের চক্রান্ত ছাড়া আর কিছু নয়। তার মুক্তিযোদ্ধা সনদ ভুয়া কিনা বিষয়টি গভীরভাবে তদন্তের জোর দাবি জানাচ্ছি।

তার মামলা থেকে বাদ যায়নি পৌর যুবলীগের আহবায়ক মুহাম্মদ মামুন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মুহাম্মদ হাসান মোর্শেদও। সংবর্ধনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সংবাদ কর্মী এ কে রিফাত, কারা নির্যাতিত ও সংবর্ধিত আনোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, শামসুদ্দিন, তোফায়েল হোসেন, জসীম উদ্দিন, মুহাম্মদ একরাম, মাহবুব আলম মাবু।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.