ঈদগাঁও প্রতিনিধি:
বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে নানা নিত্যপণ্য। চাল, আটা, পেঁয়াজ, চিনি,সয়াবিন তেল, আলুসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য। বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদেরকে। লাফিয়ে বাড়ছে পন্যসামগ্রী। আসন্ন রমজানের পূর্বে নিত্যপন্যের দাম বৃদ্ধিতেই দু:চিন্তায় ভোগের সাধারন মানুষ। শনিবার ঈদগাঁওর তরকারী ও মুদি বাজার ঘুরে দেখা যায়,সয়াবিন তেল খোলা প্রতিকেজি ১শত ৮০ টাকায় বিক্রি করছেন। বোতল প্রতি লিটার বিক্রি করে যাচ্ছেন ১শত ৭০ টাকা। দোকানদার বশর জানান, যে দামে কিনছেন সে দাম থেকে কিছু টাকা লাভ করে নিত্যপন্য সামগ্রী বিক্রি করা হচ্ছেন। তবে নিত্যপন্যের দাম দ্ধিগুন বেড়েছে। ক্রয়ক্ষমতার বাইরে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী। পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৪৫/৫০, রসুন ১১০/১২০,আদাও ঠিক একই, চিনি ৮০,চনা ৭০/৭৫, বুট ৫০/৫৫, আটা প্যাকেট ৪০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে মুদির দোকানে। চাউল বাজারে চড়া দাম নিয়েও হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতা সাধারন। বাড়লো কাঁচামালের দামও। মান ভেদে আলু বিক্রি হচ্ছে নানান দামে। তবে দেশী আলু ৩০, টমেটো কেজি ৪০,বরবটি ৭০,তিতকরলা ৮০, শিম ৩০,কাঁচা মরিচ ৪০,ফুলকপি ৪০, বেন্ডী ৭০টাকা বিক্রি করে বিক্রেতা। বৃহৎ এলাকার গ্রামাঞ্চলের ক্রেতারা খাদ্যসামগ্রী দাম অতিরিক্ত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন। বাজারে আসা ক্রেতা শামসু,আলম ও শফি জানান,আয়ের চেয়ে ব্যয় বেড়েছে। সারাদিন কষ্ট করে দৈনিক আয় করে থাকেন ৪/৫শ টাকা। কিন্তু তেলসহ পাঁচপৌড়নে চলে যায় সবটাকা। চাল ও বাজার তো দূরের কথা। ছেলেমেয়েসহ পরিবার পরি জনকে ভালমানের কিছু খাওয়াতে পারছিনা ইচ্ছে থাকা সত্তেও অর্থের কারনে। অসহায় জিয়া জানান, দৈনিক কাজে যা আয় হয়,তা দিয়ে পরিবার চালানো বর্তমান সময়ে কঠিন হয়ে পড়ে। রমজানের আগে নিত্যপন্যে সামগ্রীর চড়া দামে হিমশিমে আমরা সাধারন মানুষ। সচেতন লোকজন জানান, জেলার ঐতিহ্যবাহী ঈদগাঁও বাজারে সিন্ডি কেট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বিহীন ব্যবস্থা গ্রহন করা হউক। রমজানের আগে দাম স্বাভাবিক পর্যায়ে আনার জোর দাবী।