নিজস্ব প্রতিবেদক
সাতকানিয়ায় জমি বিরোধে কুপিয়ে আহত করার পাল্টাপাল্টির অভিযোগ ওঠেছে স্থানীয় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
১৪ই জুলাই(বৃহস্পতিবার) সকালে সাতকানিয়ার দক্ষিন ঢেমশার ১নং ওয়ার্ডে নাপিতর চর টেক এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
আহত মামুনুর রশীদ একই এলাকার মৃত আব্দুর রশীদের ছেলে।
থানায় লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানাযায়- মামুনুর রশীদের মামা ঢেমশার ১নং ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ ফোরকান একই এলাকায় একটি জমি খরিদ করে দীর্ঘদিন যাবত ভোগদখলে আছেন।
কিন্তু প্রতিবেশী আবু তাহের(৫৫)এবং আবু তাহেরের ছেলে খোকন,শরীফুল ইসলাম, শহিদুল ইসলামরাসহ উক্ত জায়গা দখল করার কু-মানসে চক্রান্ত করে অবৈধ অর্থ আদায়ের দাবীতে নানান রকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলো।
কিন্তু আজকে ফোরকানসহ হামলায় আহত তার ভাগিনা মামুনুর রশীদ চাষাবাদের জন্য জমিতে গেলে প্রতিপক্ষ পিতা-পুত্র মিলে পূর্ব-পরিকল্পিত ভাবে তাদের উপর হামলা করা হয়।
এই হামলায় ফোরকানের ভাগিনা মামুনুর রশীদকে হত্যার উদ্দেশ্যে দা-দিয়ে চোখের উপর অংশে আঘাত করা হয়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাতকানিয়া উপজেলা কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
উক্ত ঘটনায় আহত মামুনুর রশীদের মামা ফোরকান বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
সাতকানিয়া থানা সুত্রে জানা যায় -পুলিশ প্রশাসন ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
এদিকে থানায় অভিযোগকারী ব্যবসায়ী ফোরকান বলেন-আমার সাথে আর কোন ঝামেলা করবেনা বলেও স্থানীয় সন্ত্রাসী আবু তাহের গং ষ্ট্যাম্প করেন তবুও আজকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে আজকে আমাদের উপর হামলা করা হলে এতে আমার ভাগিনা গুরুতর আহত হয়।
আমি এই ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করব।
ইতিমধ্যে আমি লিখিত এজাহার জমা দিয়েছি থানায়।
এদিকে অভিযুক্ত আবু তাহেরের ছেলে শহিদুল ইসলামকে কল করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পরে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলামের পিতা আবু তাহেরকে কল করা হলে তিনি বলেন মূলত আমাদের সাথে ঝামেলা ফোরকানের সাথে-সেই বিরোধে আমি আজকে মাননীয় সাতকানিয়া সিনিয়র সহকারি জজ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য কোর্টে আসলে বাড়ি থেকে খবর আসে ফোরকান সাহেব আমার জমি দখলও জিআই তার দিয়ে ঘেরা বেড়ার কাজ চালাচ্ছেন।
তখন আদালতের আইনজীবী আমাকে পরামর্শ দেন যে ভিডিও করার জন্য, সেই পরামর্শ মত আমি জমিতে আমার ছেলে পাঠাই-কিন্তু বহিরাগত সন্ত্রাসী মামুনুর রশীদের নেতৃত্বে আমার ছেলের মোবাইল কেড়ে নিয়ে যায় এবং ছেলেকে মারধর করলে আমি আদালত থেকে সরাসরি সাতকানিয়া থানার ওসির রুমে গেলে ওসি মহোদয় তাৎক্ষণিক আমার সাথে স্পটে যায়।
এখন বহিরাগত মামুনুর রশীদের আঘাতের জেরে আমার ছেলেকে থানায় নিয়ে আসা হয়।
আমিও বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় মামুনুর রশীদদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করি। আমিও তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করব।আমি প্রশাসনের নিকট ইহার নিরপেক্ষ তদন্ত আশা করছি।
এদিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য আক্তার কামাল বলেন-জমি বিরোধে মামুনুর রশীদের ভূমিকাটা ছিলো আমার দেখামতে প্রশ্নবিদ্ধ।
এদিকে সরেজমিনে পরিদর্শনে-এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করতে দেখা যায় কারণ উভয় পক্ষ স্থানীয় ভাবে প্রভাবশালী বলেও স্থানীরা প্রতিবেদককে বলেন।